NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

দুর্দান্ত ঢাকার জয় ৫উইকেটে


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:৫৬ পিএম

দুর্দান্ত ঢাকার জয় ৫উইকেটে

টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে ছন্দ হারানো পুরনো রোগ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। বরাবরের মতো এবারও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শুরুটা হার দিয়ে হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। সেটিও কিনা নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে, নতুন নামে আসা নবাগত ঢাকার কাছে। শরিফুল ইসলামের হ্যাটট্রিকের পর নাঈম শেখের ফিফটির তোড়ে রীতিমত উড়ে গেল কুমিল্লা।

দুর্দান্ত ঢাকার জয় ৫উইকেটের বড় ব্যবধানে।  

 

মিরপুরে এদিন টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ইমরুল কায়েস ও লিটন দাসের ওপেনিং জুটি ভাঙতে প্রথম ৪ ওভারে চারজন বোলার  ব্যবহার করেন তিনি। তাতে সফলতা পায় ঢাকা।

শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার চতুরাঙ্গা ডি সিলভার করা চতুর্থ ওভারের শেষ বলটি স্কয়ার কাট করতে গিয়ে নাঈম শেখের হাতে ক্যাচ তুলে দেন লিটন। ১৬ বলে ১৩ রান করে ফেরেন তিনি। 

 

এরপর তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে কুমিল্লার ইনিংস টানেন ইমরুল। ৪২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ইমরুল আউট হন ৬৬ রান করে।

৫৬ বলের ইনিংসে ৬টি চারের সঙ্গে ছয় ২টি। এর আগেই অবশ্য তাসকিন আহমেদ ফেরান তাওহিদকে। ৪৭ রান করা তাওহিদ আউট হন লাসিথ ক্রুসপুল্লের হাতে ক্যাচ দিয়ে। 

 

ইনিংসের শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন শরিফুল। ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকান খুশদিল শাহ।

চতুর্থ বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট থার্ডম্যান অঞ্চলে ক্যাচ দেন তিনি। পরের বলে রসটন চেজ শর্ট অব লেংথ ডেলিভারিতে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন নাঈমের হাতে। শেষ বলে মাহিদুল ইসলাম অফ স্টাম্প লাইনের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে টপ এজ হয়ে ইরফান শুক্কুরকে ক্যাচ দেন। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে কুমিল্লা।

 

রান তাড়ায় নেমে ভালো শুরু এনে দেন ঢাকার দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও ধানুশকা গুনাথিলাকা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে স্কোরবোর্ডে তোলেন ৫৬ রান। ৩ ছক্কা ও ৩ চারের সুবাদে নাঈমের রান সে সময় ৪০। পাওয়ার প্লে'র পর অপরপ্রান্তে থাকা গুনাথিলাকাও হাত খুলে খেলতে শুরু করেন। তবে ফিফটি পেয়ে যান নাঈম। অর্ধশতক করে ৫২ রানে ফেরেন এই বাঁহাতি। ৪০ বলের ইনিংসটি সাজান ৩টি করে চার-ছয়ে।

গুনাথিলাকা আউট হন ৪১ রান করে। এরপর ক্রুসপুল্লের ৫ রান করে ফিরে গেলে শেষ দিকে জমে ওঠে খেলা। শেষ ওভাররে জয়ের জন্য প্রয়োজন পরে ৪ রান। তবে মুস্তাফিজুরের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ২৪ রান করে শুক্কুর আউট হলেও ৩ বল হাতে রেখে জয় পেয়ে যায় ঢাকা।