NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করল আর্জেন্টিনা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি
Logo
logo

মণিপুরে আট মাস আগে নিহত ৮৭ জনকে গণকবর


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৫৫ এএম

মণিপুরে আট মাস আগে নিহত ৮৭ জনকে গণকবর

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে চলমান জাতিগত সংঘর্ষে নিহতদের গণকবর দেওয়া হয়েছে। কুকি-জো জাতিগোষ্ঠীর ৮৭ জনকে গণকবর দেওয়া হয়। গত ৩ মে থেকে মণিপুরে জাতিগত সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা চুরাচাঁদপুরে তাদের সমাধিস্থ করা হয়।

গত রবিবার রাতে দুটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের পর চুরাচাঁদপুরে এখনো ১৪৪  ধারা জারি আছে।

 
কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। নিহত ৮৭ জনের সবাই কুকি-জো সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। প্রায় আট মাস মর্গে থাকার পর  অবশেষে তাদের সমাধিস্থ করা হচ্ছে। দাফনে বিলম্ব হওয়ায় এই অঞ্চলে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
 
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর একইভাবে ১৯ জনকে গণকবর দেওয়া হয়।

 

মণিপুরে গত ৩ মে জাতিগত দাঙ্গা শুরুর পর এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ১৮৭ জন নিহত হয়েছেন। বেসরকারিভাবে সংখ্যাটি অনেক বেশি। মণিপুরের তিনটি মর্গে পড়ে থাকা ৯৪টি মরদেহের মধ্যে ৮৮টি দুই সপ্তাহের মধ্যে সৎকার করতে রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

 
সেই সময়সীমা অবশ্য ১৩ ডিসেম্বর পেরিয়ে যায়। ৯৪টির মধ্যে ছয়টি দেহের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। 

 

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ চলতি পরিস্থিতিতে নাগরিক সংগঠনগুলোর গণসৎকারের দাবি মানতে রাজি হয়নি প্রথমে। এতে রাজ্যে জাতিগত সংঘাত আরো বাড়তে পারে বলে বলা হয়। তারা জানায়, সরকারই নিহতদের সৎকার করবে।

 
কিন্তু সংঘর্ষে লিপ্ত কুকি এবং মেইতেই সম্প্রদায় দাবি করে, লাশগুলো তাদের সংগঠনের হাতে তুলে দিতে হবে। সরকারি সূত্রে জানা যায়, রাজ্য প্রশাসন দুই সম্প্রদায়ের দাবিই মেনে নিয়েছে পরে।