NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

‘ওপিসিডাব্লিউ-দ্য হ্যাগ’ পুরস্কার পেলেন বুয়েটের অধ্যাপক রাজিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:২১ এএম

‘ওপিসিডাব্লিউ-দ্য হ্যাগ’ পুরস্কার পেলেন বুয়েটের অধ্যাপক রাজিয়া

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া এ বছরের মর্যাদাপূর্ণ ‘ওপিসিডাব্লিউ-দ্য হ্যাগ’ পুরস্কার পেয়েছেন। রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (ওপিসিডাব্লিউ) মহাপরিচালক ফার্নান্দো আরিয়াস এবং ডাচ সরকারের পক্ষে রাণাপ্রদূত হেঙ্ক ভ্যান ডার কোয়াস্ট গত সপ্তাহে ওপিসিডাব্লিউর ২৮তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজিয়ার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে। 

অধ্যাপক সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ছাড়াও আফ্রিকান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির পরিচালক হুবার্ট কে ফয় এবং সুইজারল্যান্ডের স্পিজ ল্যাবরেটরি এ বছর ওপিসিডাব্লিউ-দ্য হ্যাগ পুরস্কার পেয়েছেন।

 
 

 

ওপিসিডাব্লিউ ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে কনভেনশনের উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত বিশ্বজুড়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের স্বতন্ত্র কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দিয়ে আসছে। বাংলাদেশের পক্ষে ড. রাজিয়াই প্রথম এই পুরস্কার পেলেন। 

ওপিসিডাব্লিউ সৈয়দা রাজিয়াকে বাংলাদেশে রাসায়নিক সুরক্ষা এবং সুরক্ষা প্রচারে অবদান এবং এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে ভূমিকার জন্য স্বীকৃতি দিয়েছে। সৈয়দা রাজিয়া ওপিসিডাব্লিউতে বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।

 
তিনি ‘রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব সুরক্ষিত’ করার জন্য নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে অবদান রেখেছেন।