NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ | ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৯/১১-এর ২৫ বছর: নিউইয়র্কে স্মরণ, শোক আর অঙ্গীকার পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক
Logo
logo

কল্পনা আক্তার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:০২ এএম

কল্পনা আক্তার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা কল্পনা আক্তারের ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চাইবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেছেন, ‘শ্রমিক নেতা কল্পনা আক্তার তার ঝুঁকির কথা কখনোই আমাদের জানাননি। তাকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইব আমরা।’

আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কমনওয়েলথ প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন সম্প্রতি বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিক নেতা কল্পনা আক্তারের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা কল্পনা আক্তারের মতো মানুষদের পাশে থাকতে চাই। যিনি বলেন যে তিনি এখনো জীবিত আছেন কারণ আমেরিকার দূতাবাস তার পক্ষে কাজ করেছে।’

এর জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কল্পনা আক্তার এ ধরনের কথা আদৌ বলেছেন কি না, এ বিষয়ে আপনারাও তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।’

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলছি, এই কমেন্টস গার্মেন্টসকেন্দ্রিক ছিল না।

 
অ্যান্টনি ব্লিনকেনের ওই বক্তব্য ছিল এপেক সামিটে। এটা শুধু গার্মেন্টস শিল্প বা টেক্সটাইল শিল্প বা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কোনো বৈঠকে নয়।’

 

অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘শ্রম অধিকার বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শ্রম নীতি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। কেননা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী যে বৈঠকে এটি বলেছেন, সেটি ছিল এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কনফারেন্স।

 
ওই বৈঠকে বাংলাদেশের ইস্যু ছিল না।’