NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

পদত্যাগ করছেন গোতাবায়া


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:৩৮ এএম

>
পদত্যাগ করছেন গোতাবায়া

হাজার হাজার বিক্ষোভকারী প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখলে নেওয়ার পর শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছে, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া পদত্যাগ করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

গভীর অর্থনৈতিক সংকটের মাঝে গত শনিবার শ্রীলঙ্কার হাজার হাজার মানুষ রাজধানী কলম্বোতে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে তারা প্রধানমন্ত্রী রনিল ব্ক্রিমাসিংহে এবং প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের বাসভবনে ঢুকে পড়েন। বিক্ষুব্ধ জনতা এখন বলছে, প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা দখলে নেওয়া বাসভবন ছাড়বেন না।

এর আগে, দেশটির সংসদের স্পিকার বলেন, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া আগামী ১৩ জুলাই পদত্যাগ করবেন। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় আছেন, তা জানা যায়নি। শনিবার বাসভবনে জনতার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে কথা বলতেও দেখা যায়নি।

একাধিক সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জলসীমায় নৌবাহিনীর একটি জাহাজে অবস্থান করছেন গোতাবায়া। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হানা দেওয়ার আগেই তাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি বিলাসবহুল বাসভবন থাকলেও সেখানে নিয়মিত থাকতেন না শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। তিনি সাধারণত ঘুমাতেন প্রেসিডেন্টের বাসভবনের কাছেই ছোট একটি বাসায়।

প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেও প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ব্যবহার করতেন কেবল দাপ্তরিক কিংবা সরকারি কাজে। নিজের পরিবারসহ কলম্বোর একটি বেসরকারি বাসভবনে থাকেন তিনি।

১৯৪৮ সালে ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। বর্তমানে দেশটিতে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ বলতে আর কিছুই নেই। ফলে ২ কোটি ২০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত শ্রীলঙ্কা খাবার, ওষুধ, জ্বালানির মতো অতি জরুরি আমদানিও করতে পারছে না।