NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ২ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশে লন্ডনের রাস্তায় এক লাখ মানুষ


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০২:৩৩ পিএম

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশে লন্ডনের রাস্তায় এক লাখ মানুষ

প্রায় এক লাখ মানুষ তাদের সংহতি প্রকাশের জন্য রাস্তায় নেমে আসায় লন্ডন শনিবার আরেকটি বিশাল ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের সাক্ষী হলো। মধ্য লন্ডনে ফিলিস্তিনিপন্থীরা যুদ্ধবিরতির দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেয়। দুই সপ্তাহ আগে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েল যুদ্ধ ঘোষণা করে। যুদ্ধে দুই পক্ষের হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

 

 

‘ফিলিস্তিন মুক্ত করুন’ স্লোগান, ব্যানার প্রদর্শন এবং ফিলিস্তিনের পতাকা নেড়ে বিক্ষোভকারীরা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সরকারি বাসভবন এবং ডাউনিং স্ট্রিটের অফিস হয়ে লন্ডনের মধ্য দিয়ে চলে যায়।

পুলিশের অনুমান, প্যালেস্টাইন সলিডারিটি ক্যাম্পেইন আয়োজিত ‘ফিলিস্তিনের জন্য জাতীয় মার্চ’ নামের এ বিক্ষোভে এক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বিক্ষোভকারী বলেন, ‘একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে যিনি একদিন দেশে ফিরতে চান, একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে যার গাজায় ভাই-বোন এবং পরিবার রয়েছে, আমি চাই আমরা তাদের জন্য আরো কিছু করি। তবে আমরা এ মুহূর্তে যা করতে পারি, তা হলো প্রতিবাদ।

 

 

এদিন অনেকেই ইসরায়েলবিরোধী স্লোগান দিয়েছে এবং ব্যানার প্রদর্শন করেছে। একজন বিক্ষোভকারীকে সুনাক, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছবিসহ ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল ‘যুদ্ধাপরাধের জন্য ওয়ান্টেড’।

পুলিশ বিক্ষোভের আগে সতর্ক করে দিয়েছিল, কেউ ব্রিটেনে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ হামাসের প্রতি সমর্থন দেখালে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং ঘৃণামূলক অপরাধের কোনো ঘটনা সহ্য করা হবে না। তবে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

 

 

এদিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লিভারলি কায়রোতে এক শান্তি সম্মেলনে বলেছেন, ‘এটি এমন একটি বিষয়, যা দীর্ঘকাল ধরে আবেগকে উদ্দীপিত করেছে। আমরা সবাই এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং আমাদের সম্প্রদায়ে দেখতে পাচ্ছি, বর্তমান পরিস্থিতি কতটা বিভক্ত ও মেরুকরণ হয়ে গেছে।’