NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, মে ২৭, ২০২৬ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবার ‘নেহারি-রন্ধনশিল্পী’ কাতারের স্মৃতি ধরে রেখে বিশ্বকাপে মরক্কোর ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা হাজার কোটির পথে হাঁটছে ‘মাইকেল’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভারত যা চাইবে, তাই পাবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প কোহলির সঙ্গে তর্কে জড়ানোয় হেডের স্ত্রীকে অনলাইনে আক্রমণ প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়
Logo
logo
মুসলিম কম্যুনিটিতে আনন্দের ঝিলিক

নিউইয়র্কে মসজিদের মাইকে আজানের অনুমতি


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ মার্চ, ২০২৫, ০৯:৫৩ এএম

নিউইয়র্কে মসজিদের মাইকে আজানের অনুমতি

নিউইয়র্ক: রমজান মাসের স্বীকৃতির পর নিউইয়র্ক সিটির মসজিদগুলোতে ৫ ওয়াক্ত নামাজের আজান মাইকে প্রচারের অনুমতি মিলল। গত ২৪ আগস্ট এক সার্কুলারে সিটির কম্যুনিটি অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর ডেপুটি কমিশনার মার্ক টি স্ট্যুয়ার্ট মুসলিম আমেরিকানদের জন্য বিশেষ এই খুশির বার্তা দেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা স্টেটের মিনিয়েপলিস সিটি কাউন্সিলের পর নিউইয়র্ক সিটি হলো দ্বিতীয় সিটি যেখানে মাইকে আজান প্রদানের অনুমতি পাওয়া গেল। 

এই সিদ্ধান্তকে মুসলিম কম্যুনিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ‘স্যাফেস্ট’ (সাউথ এশিয়ান আমেরিকান ফান্ড ফর স্কলারশিপ অ্যান্ড ট্রেনিং)’র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাজেদা উদ্দিন। 

 

মাজেদা এ সংবাদদাতাকে জানান, সিটি কাউন্সিলের এ সিদ্ধান্তের জন্য অনেক কাঠ-খড় পুড়তে হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই দুই ঈদের দিনে সিটির সকল অফিস-আদালতেও মুসলমানদের জন্য সবেতন ছুটির বিধি এবং জুলাই মাসকে ‘মুসলিম ঐতিহ্যের মাস’ হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের দেন-দরবারেও আমরা সফল হব।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটিতে তৃতীয় বৃহত্তম ধর্মাবলম্বী হচ্ছেন মুসলমানেরা। প্রথম হচ্ছে খ্রিস্টান এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম হচ্ছেন ইহুদি সম্প্রদায়। এই সিটিতে সাড়ে ৭ লাখ মুসলমান বাস করছেন এবং নিউইয়র্ক মেট্রোপলিটন সিটিতে এ সংখ্যা ১৫ লাখের বেশি। বাংলাদেশিদের পরিচালিত ৩৫টিসহ মোট ১৭৫টি মসজিদ রয়েছে সিটির অলি-গালিতে। 

সবগুলো মসজিদে নামাজের আজান মাইকে শুরু হলে বিশ্বের রাজধানী খ্যাত এই সিটিও ‘মসজিদের শহর’ হিসেবে পরিণত হবে বলে মনে করা হয়েছে। 

ডেপুটি কমিশনার মার্ক টি স্ট্যুয়ার্ট তার সার্কুলারে উল্লেখ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে সকল ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানকে সংহত করার কথা রয়েছে। সে তাগিদেই এটি করা হলো। 

উল্লেখ্য, ব্রুকলীনে নূর আল ইসলাম মসজিদে আজান প্রচারিত হতো মাইকে। কয়েক বছর আগে এলাকার ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা সিটি প্রশাসনে আপত্তি জানালে সেই বিধি বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সিটি কাউন্সিলে দেন-দরবার শুরু হয়েছিল।