NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
Logo
logo

১৫ আগস্ট আমাদের জন্য লজ্জার : মতিয়া চৌধুরী


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৫১ এএম

১৫ আগস্ট আমাদের জন্য লজ্জার : মতিয়া চৌধুরী

ঢাকা: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘এত রক্ত ও বাধার মধ্যে শেখ হাসিনা যেভাবে ফিরে এসেছেন সেভাবেই তিনি পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষের মৌলিক অধিকার অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান বাস্তবায়নে শেখ হাসিনা সর্বোত্তম কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সেগুলো বাস্তবায়নও করে যাচ্ছেন। আজকে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের এই মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা পৌঁছে গেছে।’

 

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্ট আমাদের জন্য লজ্জা, ঘৃণা ও অপমানের চাবুক। এর চাইতে কোনো চাবুক বাঙালির পিঠে পড়েছে কি না, তা আমার জানা নেই। তাকে বাংলায় কথা বলার লোক ও বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ করা লোকই কিন্তু হত্যা করেছে।

তার পর থেকে একের পর এক দৃশ্যপট যে পরিবর্তন হয়েছে তাতেই বাঙালির অশুভ আতাতের ঘটনা ফুটে উঠেছে। কিন্তু তার পরও বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতির পিতার কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে এসেছেন। তিনি এসে ৮১ সালে এই দলের হাল ধরেছেন।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ যেমন শেখ হাসিনার সাথে ছিল শেখ হাসিনাও কখনো জনগণকে দূরে রাখেননি।

শুধু ৭৫-এর হত্যাকাণ্ড নয়। এর পরও শেখ হাসিনা যাতে দেশে না আসতে পারেন তার প্রচেষ্টাও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জনগণের শক্তিতে হাজার বাধার মধ্যেও শেখ হাসিনা ফিরে এসেছেন। তাকে কেউ আটকিয়ে রাখতে পারেনি।’

 

আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে মানবতা ভূলুণ্ঠিত ও সংবিধান লঙ্ঘিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সংবাদ জানানোর পর খুনি জিয়া বলেছিল সো হোয়াট। ভাইস প্রেসিডেন্ট আছে, সংবিধান আছে। কিন্তু আমরা দেখেছি, ভাইস প্রেসিডেন্টকেও ক্ষমতা দেওয়া হয়নি, সংবিধানও বাস্তবায়ন করা হয়নি। খুনি জিয়া জীবিত থাকলে বঙ্গবন্ধু হত্যায় অবশ্যই তার দণ্ড হতো।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘কথায় কথায় আজকে শুনি যে সংবিধান কিছু না। ইচ্ছে করলে ফেলে দিতে পারি, ইচ্ছে করলে ছিঁড়ে ফেলতে পারি, ইচ্ছে করলে পরিবর্তন করতে পারি। যারা এটা বলছেন এটাই স্বাভাবিক যে তারা এটা বলবেন। কারণ তাদের ইতিহাস তাই বলে। তারা সংবিধানকে ভূলুণ্ঠিত করে, কাটাছেঁড়া করে, সংবিধানকে রঙিন করে ক্ষমতায় গিয়েছিল। বারবার সেভাবেই তারা ক্ষমতায় যেতে অভ্যস্ত। তাদের কাছে সংবিধানের কোনো মূল্য নেই, গণতন্ত্রের কোনো মূল্য নেই।’

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেনসহ সংগঠনটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।