NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ | ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের ডেঙ্গু প্রতিরোধে দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউক্রেনে পৌঁছেছেন ট্রাম্পের দূতরা জার্মানির রাজ্য নির্বাচনে রেকর্ড ভোট পেয়েও সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তায় এএফডি গোলকিপার কোমানের জোড়া গোল, ডাচ লিগে ইতিহাস
Logo
logo

কোহলির মাধ্যমিকের মার্কশিট ভাইরাল


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ১০:৫৯ এএম

কোহলির মাধ্যমিকের মার্কশিট ভাইরাল

ব্যাট হাতে বিশ্বসেরাদের একজন বিরাট কোহলি। বাইশগজে ভেঙে চলেছেন একের পর এক রেকর্ড। কিন্তু পড়াশোনায় কেমন ছিলেন কোহলি? ফের একবার ভাইরাল হল সেই তথ্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় আগেই নিজের মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিটের ছবি শেয়ার করেছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। এবার নেট দুনিয়ায় সেই মার্কশিটের ছবি ফের ছড়িয়ে পড়েছে।

ভারতের এক সরকারি কর্মকর্তা নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে কোহলির মার্কশিট শেয়ার করেছেন। পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সংখ্যাই যদি সাফল্যের চাবিকাঠি হত, তাহলে আজ সারা দেশ তাকে অনুসরণ করত না। সাফল্যের জন্য প্রয়োজন আবেগ এবং নিষ্ঠা।’

এর আগে দশম শ্রেণির মার্কশিট প্রকাশ করেছিলেন কোহলি। সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বেশ ভালো নম্বর পেয়েই পাশ করেন তিনি। তবে মার্কশিটের সঙ্গে একটি অর্থবহ ক্যাপশন লিখেছিলেন কোহলি। তিনি লিখেছিলেন, ‘আমার মার্কশিটে যে বিষয়টার কোনো উল্লেখ নেই, সেটাই আমার চরিত্র গঠনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছে। বেশ মজার ব্যাপার তাই না?’

 

মার্কশিটের সঙ্গে হ্যাশট্যাগ দিয়ে কোহলি লিখেছিলেন, লেট দেয়ার বি স্পোর্টস। স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও যেন সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়, এমনটাই দাবি করেছিলেন। নিমেষে নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় তার মার্কশিটের ছবি।

২০০৪ সালে দশম শ্রেণির পরীক্ষায় পাশ করেন কোহলি। ইংরেজিতে সর্বোচ্চ ৮৩ পেয়েছিলেন তিনি। হিন্দিতেও ৭৫ নম্বর পান। তবে গনিত ও বিজ্ঞানে তেমন ভালো করতে পারেননি। ওই দুই বিষয়ে যথাক্রমে ৫১ ও ৫৫ পেয়েছিলেন তিনি।