NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ২ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

নাইজারের অবরুদ্ধ প্রেসিডেন্টের দেখা পেলেন না মার্কিন দূত


খবর   প্রকাশিত:  ১১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৩:৪২ এএম

নাইজারের অবরুদ্ধ প্রেসিডেন্টের দেখা পেলেন না মার্কিন দূত

পূর্ব আফ্রিকার দেশ নাইজারের সামরিক জান্তার সঙ্গে দেখা করতে দেশটিতে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। জান্তা প্রতিনিধির সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা বৈঠক করেছেন তিনি।

তবে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি তাকে। এছাড়া জান্তা প্রধান আব্দরহমান চিয়ানিও তার সঙ্গে দেখা করেননি। মোহাম্মদ বাজোমকে মূলত অবরুদ্ধ করে রেখেছে তারা। অভ্যুত্থানের পর পর বাজোমকে বাইরের দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দিলেও, ধারণা করা হচ্ছে সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিক্টোরিয়া সোমবার (৭ ‍জুলাই) জানিয়েছেন, কূটনৈতিক উপায়ে বাজোমকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতেই তিনি নাইজার সফরে গিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, জান্তার সঙ্গে ‘ভালো কিন্তু কঠিন’ আলোচনা হয়েছে তার।

 

এদিকে গত ২৬ জুলাই রক্তপাতবিহীন অভ্যুত্থান ঘটায় নাইজারের জান্তা। এরপর পূর্ব আফ্রিকার ১৫ দেশের অর্থনীতির জোট ইকোয়াস জান্তাকে ক্ষমতা ছাড়তে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল— ক্ষমতা না ছাড়লে সামরিক অভিযান  চালানোর হুমকিও দেয় তারা। তবে এসব হুমকির মুখে পিছপা হয়নি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা। এরবদলে সোমবার তারা দেশটির আকাশপথ বন্ধ করে দেন। 

বর্তমানে ইকোয়াসের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছে নাইজেরিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবো নাইজারে সামরিক হামলা চালাতে গত শুক্রবার সিনেটের অনুমতি চেয়েছিলেন।

তবে নাইজেরিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সামরিক অভিযান পরিকল্পনার তীব্র বিরোধীতা করেছেন নাইজারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোর সিনেটররা। কারণ যদি নাইজারে সামরিক অভিযান চালানো হয় এর বিরূপ প্রভাব নাইজেরিয়ার ওপরেও পড়বে।