NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১ নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া
Logo
logo

ফের বিতর্কে জড়ালেন রূপঙ্কর বাগচি


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৪৩ এএম

>
ফের বিতর্কে জড়ালেন রূপঙ্কর বাগচি

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচির। কিছুদিন আগেই কেকে’র বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এবার তার বিরুদ্ধে উঠল গান চুরি করার।

উঠতি গায়িকা মনোরমা ঘোষাল কলকাতার একটি থানায় তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন। শুধু রূপঙ্করই নয়, সঙ্গীত আয়োজক পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন মনোরমা।

মনোরমার দাবি, ২০২১ সালের নভেম্বরে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যে গানটি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই গানটি হলো, ‘সাগর তুমি কেন ডাকো’। এই গানের প্রথম ঝলক প্রকাশিত হয় গত নভেম্বরে। সেই সময় প্রথম কিস্তিতেই ১০ টাকা মনোরমা দিয়েছিলেন পার্থকে। এরপর গত ১২ই ডিসেম্বর গানটি মুক্তি পায় ইউটিউবে। সেই সময় ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ওই গানটি পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে কিনেছিলেন বলে দাবি মনোরমার।

কিন্তু সপ্তাহখানেক আগেই নাকি তার গানটি ইউটিউব থেকে তুলে নেওয়ার কথা তাকে বলেন পার্থ। তিনি জানান যে এই গানটি নাকি রূপঙ্কর বাগচি গেয়েছেন। মনোরমার দাবি, এই বিষয়ে তিনি রূপঙ্কর বাগচির সঙ্গে কথাও বলেছেন। মনোরমার কথায়, এমন নীতি বিরুদ্ধ কাজ মেনে নিতে পারবেন না তিনি।

এ এক সংবাদমাধ্যমে রূপঙ্কর বলেন,আমি এমন অনেক অ্যালবামে গান করি। যে চ্যানেল থেকে এই গান মুক্তি পেয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

মনোরমার দাবি, ওই গানটির জন্য তার মোট ৪৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তার গানটি মুক্তি পেয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। আর ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে যে রূপঙ্করের গানটি মুক্তি পেয়েছে গতকাল অর্থাৎ বুধবার। মনোরমার কথায়, এরপর থেকেই তার ইউটিউব চ্যানেলের গানটি উধাও হয়ে যায়। তিনি এও দাবি করেন যে তার চ্যানেলের সবকিছুই পার্থর জানা ছিল। পার্থই নিশ্চয় অবাঞ্ছিত কিছু করেছেন।

এ বিষয়ে পার্থের বক্তব্য, আইনত কোনোভাবেই মনোরমাকে ওই গান বিক্রি করা হয়নি। আমাকে উনি পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। বাকি টাকা যদি কাউকে দিয়ে থাকেন, আমি বলতে পারব না। উনি ভাল করে গানটি গাইতে পারেননি। তখন আমরা রূপঙ্করদার দ্বারস্থ হই। এখানে ওর (রূপঙ্কর) কোনো দোষ নেই।