NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক


খবর   প্রকাশিত:  ১১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:৪০ এএম

৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক

৩০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক গুলজার আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গুলজার আহমেদের কর্তৃক দুদকের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮০ সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়াসহ মোটি ৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৪৯ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) এবং ২৭(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০১৭ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুম থেকে অবৈধ ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরার অলঙ্কার জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ওই স্বর্ণ কেলেঙ্কারির পর প্রতিষ্ঠানটির মালিকদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনজনিত দুর্নীতির বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুল্ক গোয়েন্দা থেকে চিঠি পাঠানোর পর দুদকে কার্যক্রম শুরু হয়। দুদকের অনুসন্ধান শুরুর ৬ বছর ওই মামলা দায়ের করলো দুদক।

২০১৭ সালের ৮ জুন ও ১২ আগস্ট যথাক্রমে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ১০ মামলা দায়ের করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা।