NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ প্রথম ভাঁজ করা আইফোন উন্মোচনে অ্যাপলকে স্যামসাংয়ের খোঁচা শৈশব থেকে হৃদরোগের সঙ্গে লড়াই, না ফেরার দেশে মিস অস্ট্রিয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর
Logo
logo

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় দুই বাংলাদেশি


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৪, ১০:৩৪ এএম

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় দুই বাংলাদেশি

ঢাকা: গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই নারী। তাঁরা হলেন চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ ২০২৩ সালে এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করে। সেখানেই জায়গা করে নিয়েছেন এই দুজন।

 

দেশের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা লাইফ সায়েন্সে ভূমিকা রাখায় তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। বৈশ্বিক স্বাস্থ্য গবেষণায় সমতা অর্জনে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভূমিকা রাখছেন তিনি। তাঁর দলই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের জিন নকশা উন্মোচন করে। এ ছাড়া চিকুনগুনিয়া ভাইরাস যে শুধু রক্তে নয়, শিশুদের মস্তিষ্কে ছড়িয়ে মেনিনজাইটিস রোগ সৃষ্টি করতে পারে, তা উন্মোচন করেছেন সেঁজুতি সাহা।

 

আরেক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী ‘সাসটেইনেবিলিটি’ খাতে অবদানের জন্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। জলজ বাস্তুতন্ত্র ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণে অবদানের জন্য ২০২২ সালে ওডাব্লিউএসডি-এলসেভিয়ার ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। এ ছাড়া প্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করেন তিনি। মাছ ধরার পরিত্যক্ত জাল দিয়ে কিভাবে কার্পেটের মতো পণ্য বানানো যায়, তা শেখানোর মাধ্যমে গরিব ও প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছেন এই বিজ্ঞানী।

এর মাধ্যমে ওই নারীদের জন্য বিকল্প আয়ের উৎস তৈরির পাশাপাশি জলজ বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় অবদান রাখছেন। তিনি জুওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সদস্য।

 

‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকী জানিয়েছে, এই তালিকায় এমন সব গবেষক স্থান পেয়েছেন, যাঁরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনন্য কাজের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও পরিবেশের উন্নতিতে অবদান রাখছেন। এশিয়ার গবেষকরা বড় স্বপ্ন দেখা অব্যাহত রেখেছেন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা করে যাচ্ছেন। নিজের দলের সহায়তায় বাধা পেরিয়ে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছেন তাঁরা।

 

এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় গত এক দশকে নতুন করে এইআইভি/এইডস সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা, বাংলাদেশি শিশুদের মধ্যে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস ও মেনিনজাইটিসের সংযোগ শনাক্ত করা অন্যতম।