NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬ | ২ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

সিনেটেও পাস যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:১৪ এএম

সিনেটেও পাস যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল

সংসদের নিম্নকক্ষ কংগ্রেসের পর উচ্চকক্ষ সিনেটেও পাস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বিল। এর মাধ্যমে ঋণ খেলাপি হওয়া এড়াতে সক্ষম হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ব্যয় মেটানোর জন্য কত পরিমাণ ঋণ নিতে পারবে সেটি নির্দিষ্ট করা আছে। কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরকার এই সীমার কাছে পৌঁছে গেছে। ফলে হয় তাদের এ ঋণসীমা বৃদ্ধি করতে হতো, নয়ত নির্দিষ্ট সীমাটি স্থগিত করতে হতো। নতুন বিলে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই সীমা স্থগিত করা হয়েছে।

কংগ্রেস এবং সিনেটে বিলটি পাস হওয়ায় এখন এটি যাবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছে। তার স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হবে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১ জুন) হওয়া ভোটাভুটিতে সিনেটের ১০০ সদস্যের মধ্যে ৬৩ এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর ৩৬ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

২০২৫ সাল পর্যন্ত ঋণসীমা স্থগিত করার কারণে দেশটিতে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এ নিয়ে আর কোনো সমস্যা হবে না।

এদিকে ঋণসীমা বাড়ানো বা স্থগিত নিয়ে গত সপ্তাহে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জানেত ইয়েলেন। তিনি বলেছিলেন, যদি ৫ জুনের মধ্যে এ নিয়ে একটি সমাধানে না পৌঁছানো যায় তাহলে সরকার খেলাপি হয়ে যাবে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, পেনসনসহ কোনো কিছু দেওয়ার মতো অর্থ আর তাদের কাছে থাকবে না।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রিপাবলিকানদের দখলে। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট বাইডেন হলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির। ফলে রিপাবলিকানরা বাইডেনের চাহিদা অনুযায়ী ঋণসীমা বৃদ্ধির অনুমোদন দিতে চায়নি। আর এ কারণে রিপাবলিকানদের সঙ্গে তাকে সমঝোতা করতে হয়েছে।

আর এ সমঝোতায় সরকারের ব্যয়ে কিছু কাটছাট করতে বাধ্য করেছেন রিপাবলিকানরা।