NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

পানির নিচে ৭৪ দিন কাটিয়ে রেকর্ড ভাঙলেন মার্কিন গবেষক


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৮:০৪ পিএম

পানির নিচে ৭৪ দিন কাটিয়ে রেকর্ড ভাঙলেন মার্কিন গবেষক

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: একে একে ৭৪ দিন পানির নিচে কাটিয়ে দিলেন মার্কিন এক গবেষক। কোনো ধরনের  বিষণ্ণতা ছাড়াই পানির নিচে দীর্ঘতম সময় পার করে রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। মার্কিন এই গবেষকের নাম জোসেফ দিতুরি। এই গবেষক ফ্লোরিডার কি লার্গোতে ৩০ ফুট পানির নিচে একটি হোটেল কক্ষে ৭৪ দিনের বেশি সময় থেকেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এখনো তার থামার পরিকল্পনা নেই। স্থানীয় সময় রবিবার তিনি বলেছিলেন, তিনি ‘জুলসের আন্ডারসি লজে’ কমপক্ষে ১০০ দিন থাকবেন। 

তিনি বলেন, ‘আবিষ্কারের কৌতূহল আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে। প্রথম দিন থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করা, সাক্ষাৎকার নেওয়া সেই বিজ্ঞানীদের, যারা সমুদ্রের নিচের জীবন অধ্যয়ন করেন এবং জানেন কিভাবে মানবদেহ চরম পরিবেশে কাজ করে।’

এর আগে ২০১৪ সালে পানির নিচে ৭৩ দিন কাটিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রেরই দুই প্রফেসর। গবেষণাকাজের অংশ হিসেবে ফ্লোরিডার কি লার্গোতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পানির নিচের একমাত্র হোটেল জুলস আন্ডার সি লজে বাস করছেন ৫৫ বছর বয়সী জোসেফ। ভূপৃষ্ঠের ৩০ ফুট নিচে অবস্থিত হোটেলটির আয়তন ১০০ বর্গফুট। পানির নিচেই ইন্টারনেট সেবাসহ মিলছে আধুনিক অনেক সুবিধা। 

জোসেফের এই গবেষণার নাম প্রজেক্ট নেপচুন হান্ড্রেড। দীর্ঘ এই সময়ে পানির নিচে শরীর কী প্রতিক্রিয়া জানায়, সেটাই পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ডা. জোসেফ বলেন, ভাবিনি রেকর্ড হবে। ভালো লাগছে, সম্মানিত বোধ করছি। তবে এখনো আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। অনেক কাজ বাকি। এই গবেষণার মাধ্যমে বিজ্ঞানের সুফল আরো একবার মানুষকে দেখাতে চাই।

তিনি বলেন, এই সময়ে সত্যি বলতে আমি যা মিস করেছি তা হলো সূর্য। আমি সাধারণত পাঁচটায় জিমে যেতাম। সেখান থেকে বের হয়ে প্রতিদিনই সূর্যোদয় দেখতাম। প্রতিদিন জোসেফের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। ডাঙায় ফিরলে হবে মানসিক পরীক্ষাও। গবেষকরা বলছেন, ভবিষ্যতে গভীর সমুদ্রে মানুষের মিশনকে আরো সহজ করতেই চলছে এই গবেষণা।

সূত্র : বিবিসি