NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা চলবে


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৪৬ এএম

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা চলবে

ঢাকা: শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলা বাতিলের আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বিচারপতি মো. নূরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে সোমবার এ আদেশ দেন। ফলে তার বিরুদ্ধে মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে ইউনূসের আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। মামলাটি বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে গত বছর ১৭ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। সে রায়ের বিরুদ্ধে লিভটু আপিলের (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) শুনানি শেষ হয় গত ৩ এপ্রিল। সর্বোচ্চ আদালত পরে তা আদেশর জন্য রাখেন।

২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। বাকি তিন আসামি হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয় মামলায়। পরে ওই বছর ২১ অক্টোবর শ্রম আদালত চারজনকে হাজির হতে সমন জারি করেন। সমনে হাজির হলে ড. ইউনূসকে জামিন দেন ওই আদালত। পরে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মামলাটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্ট আবেদন করেন ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগম। ওই আবেদনের শুনানির পর মামলাটির কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন এবং মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, জানতে রুল জারি করেন। 

হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলে গেলে গত বছর ১৩ জুন আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ আরো দুই মাস বাড়িয়ে হাইকোর্টকে রুলটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। গত বছর ২০ জুলাই সর্বোচ্চ আদালতের এ আদেশ তুলে ধরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর হাইকোর্টে রুল শুনানির আবেদন করে। শুনানির পর রুল খারিজ করে গত বছর ১৭ আগস্ট রায় দেন উচ্চ আদালত। এ রায়ের ফলে শ্রম আদালতে মামলাটির বিচারকাজে বাধা কেটে যায়। পরে হাইকার্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করেন ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগম। চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশে হস্তক্ষেপ না করে আবেদন দুটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আবেদন দুটির প্রাথমিক শুনানির পর গত ২০ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ আদালত মামলার অভিযোগ গঠন না করতে শ্রম আদালতকে নির্দেশ দেন। সে ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত শুনানির পর আদেশের জন্য রাখা হয়েছে।

আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগামী ৮ মে জানা যাবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ড. ইউনূস ও নূরজাহান বেগম আপিলের অনুমতি পাবেন কি না। অর্থাৎ হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে কি থাকবে না। এ আদেশের ওপর নির্ভর করছে শ্রম আদালতে মামলাটি চলবে কি না।’ 

ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুনের দাবি এই মামলাটি বেআইনি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার মক্কেলকে হয়রানি করতেই মামলাটি করা হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।