NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, মে ১৫, ২০২৬ | ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত Bangladesh reaffirms multilateral commitment during U.S. Army War College visit কারখানা টিকিয়ে রাখতে সরকারের সহযোগিতা চান পোশাক ব্যবসায়ীরা ঋণ সহায়তায় আইএমএফের শর্ত জনগণের জন্য সুইটেবল না : অর্থমন্ত্রী স্টারমারের পদত্যাগ নিয়ে লেবার পার্টিতে বিভক্তি চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গী হচ্ছেন মাস্ক-কুকসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বিশ্বকাপের প্রাথমিক দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার, মেসি কি আছেন ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধের দাবিতে হাইকোর্টে জয়া আহসানের রিট ২২ মে নিউইয়র্কে শুরু হচ্ছে চারদিনের আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
Logo
logo

‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদকে আরো সক্রিয় হতে হবে’


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০১:৫০ এএম

‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদকে আরো সক্রিয় হতে হবে’

ঢাকা: জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিত বলেছেন, রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর প্রায় ছয় বছর কেটে গেছে। এই সংকট নিরসনে নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং এটি ক্রমাগত নীরব ভূমিকা পালন করেছে।

বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুষ্ঠিত 'ফিউচারপ্রুফিং ট্রাস্ট ফর সাস্টেইনিং পিস' শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।

জনগণ এবং বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রদূত মুহিত বিশ্বশান্তির জন্য দৃশ্যমান হুমকিগুলো মোকাবেলার আহ্বান জানান। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের মতো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের সুরক্ষায় সংহতি ও ঐক্য প্রদর্শনের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিও আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাঝে বিশ্বাস অর্জনের নিমিত্তে পরিষদকে আরো বেশি সক্রিয় হওয়া আবশ্যক।

তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) এসংক্রান্ত ম্যান্ডেট আরো জোরদার করার আহ্বান জানান। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের মতো নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় পিবিসির পরিপূরক ভূমিকা গ্রহণের জন্য পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, দুই মেয়াদের জন্য পিবিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশ কমিশনের সম্ভাবনাকে অধিকতর প্রসারিত করার জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

তিনি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বিনির্মাণে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থপূর্ণ অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং মানবাধিকার রক্ষাসহ বৃহত্তর শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে জাতিসংঘের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।

মে মাসে সুইজারল্যান্ড নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে এবং দেশটি পরিষদে তার প্রথম সভাপতিত্বের একটি স্বাক্ষর ইভেন্ট হিসেবে এই উচ্চ পর্যায়ের উন্মুক্ত বিতর্কের আয়োজন করেছিল। এতে সভাপতিত্ব করেন সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগনাজিও ক্যাসিস।