NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

৫২ বছরে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে : জাতিসংঘ


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জুন, ২০২৪, ০৩:০৮ এএম

>
৫২ বছরে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে : জাতিসংঘ

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

রোববার (২৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান আবাসিক সমন্বয়কারী।

গোয়েন লুইস বলেন, স্বাধীনতার ৫২তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমি জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বিগত ৫২ বছরে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্তরণের পাশাপাশি ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) চাইতে অপেক্ষাকৃত উন্নত অবস্থান অর্জন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) পরিকল্পিত অর্জনের দোরগোড়ায় উপনীত এই দেশ।’

আবাসিক সমন্বয়কারী বলেন, অর্থনৈতিক ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারগুলো জাতিসংঘ পুরোপুরি সমর্থন করে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে জোরালো ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের পাশাপাশি আমাদের পারস্পরিক মূল্যবোধগুলোকে গুরুত্ব দেয়।

গোয়েন লুইস জানান, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার আগেই প্রণীত এই দেশের সংবিধানে জনগণের মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো: বাক স্বাধীনতার অধিকার, ধর্ম চর্চার অধিকার, চলাফেরা ও সমাবেশের স্বাধীনতার অধিকার, নিজভাষায় কথা বলার অধিকার এবং জাতিসংঘ সনদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ অন্যান্য অধিকার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের রয়েছে নানাবিধ অর্জন - অসাধারণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অত্যন্ত সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জলবায়ু ঝুঁকিগ্রস্ত দেশগুলোর পক্ষে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বস্থানীয় অবস্থান এবং প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে স্বাগত জানানো ও আশ্রয় দানের সুবিশাল উদারতা।

আবাসিক সমন্বয়কারী বলেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর অতিথিপরায়ণতা হলো এ দেশের বহুমুখী সমৃদ্ধির কেবল একটি দিক, যে ব্যাপারে প্রতিদিন অভিজ্ঞতা লাভ করতে পেরে আমি ও আমার সহকর্মীরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করি।