NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?: শেখ হাসিনা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির
Logo
logo

বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই সেভকে ক্যারিয়ার সেরা বলছেন মার্টিনেজ


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

>
বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই সেভকে ক্যারিয়ার সেরা বলছেন মার্টিনেজ

কাতার বিশ্বকাপের পুরোটা জুড়েই দুর্দান্ত ছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচে তার এক অনন্য রূপ দেখেছে ফুটবল ভক্তরা। অতিরিক্ত মিনিটে র‍্যান্ডাল কোলো-মুয়ানির নেয়া শট মার্টিনেজ সেভ করায় ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়িয়েছিল। আর এই সেভকেই নিজের ক্যারিয়ার সেরা বলছেন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলকিপার। 

বক্সের ভেতর আর্জেন্টিনা গোলকিপারকে সামনাসামনি একা পেয়ে গিয়েছিলেন মুয়ানি। চলতি বলে ভলি করে শটও নিয়েছিলেন, কিন্তু মার্টিনেজ রীতিমতো জাদুবলে বাঁ পা দিয়ে বলটি ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন। আর তাতে শুধু একটা গোলই রক্ষা পায়নি, একটা বিশ্বকাপ নিজেদের ঘরে তুলতে পেরেছিল মেসির আর্জেন্টিনা।

মার্টিনেজ বলেন, 'আমি কিছুটা চাপে ছিলাম। আপনি দেখবেন, আমার বাম হাত এবং আমার বাম পা পাশা-পাশি পোস্টে ছিল কারণ আমি প্রার্থনা করছিলাম এবং ভাবছিলাম যে বলটি সেখানে যাবে। আমি আমার মুখ নড়াচড়া করিনি, চোখ বন্ধ করে আমি ভেবেছিলাম 'আমার শরীরে বল এসে আঘাত করুক' এবং সেটিই হয়েছিল। আমি কখনো মুখ ফেরাইনি। যদি বল আমার এখানে (তার নাকের দিকে ইশারা করে) আঘাত করে। আপনি জানেন যে, এটি নিশ্চিত করতে হবে বল যেন গোলপোস্টের ভেতরে না যায়। এটি সম্ভবত আমার ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা সেভ হবে।'

মূলত ফরাসি স্ট্রাইকার মুয়ানির সামনে বলটি পড়ে একটু বাঁক নিয়েছিল। মার্তিনেজ তা খেয়াল করেন। তার বাঁ পাশের ফাঁকা জায়গা পূরণ করতে ইচ্ছে করেই মুয়ানির সামনে আড়াআড়িভাবে পা বাড়িয়ে দেন তিনি। তাতে বল তার গায়ে লেগে আটকে যায়।

এরপর টাইব্রেকারে ফরাসিদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পায় আর্জেন্টিনা। এরফলে ৩৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা ছুঁয়ে দেখতে পারে আলবিসেলেস্তারা। দলের পাশাপাশি সফল ছিলেন মার্টিনেজও। আসরে সেরা গোলাকিপারের পুস্কার জেতেন তিনি।