NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ | ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

দেশের মানুষ খেতে পাচ্ছে না, অথচ ভারত নিয়েই পড়ে আছে পাকিস্তান


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:৫৮ এএম

>
দেশের মানুষ খেতে পাচ্ছে না, অথচ ভারত নিয়েই পড়ে আছে পাকিস্তান

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করল ভারত।

শুক্রবার (৩ মার্চ) জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে ভারতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালিয়ে, নিজের দেশের মানুষকে কীভাবে সঙ্কট থেকে রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে পাকিস্তানিদের মন দিতে বললেন ভারতের প্রতিনিধি সীমা পুজানি।

তিনি বলেন, তাদের জনগণ যখন তাদের জীবন, জীবিকা এবং স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছে, তখনও ভারতেরই ভাবনাতেই বিভোর রয়েছে পাকিস্তান। এটা এক রাষ্ট্রের ভুল অগ্রাধিকারের পরিচয়। আমি এ দেশের নেতা এবং কর্মকর্তাদের বলব, ভিত্তিহীন অপপ্রচারের পরিবর্তে নিজেদের জনগণকে পরিষেবা দেওয়ার বিষয়ে আপনাদের শক্তি কাজে লাগান।

মানবাধিকার পরিষদের বর্তমান অধিবেশনে প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছিলেন, রাজনৈতিক সুবিধার কারণে হিন্দুত্ববাদী শাসক কাশ্মীরি জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে মিথ্যাভাবে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে এক করে দেখাতে পেরেছে। ভারতীয় দখলদাররা কাশ্মীরিদের জীবিকা কেড়ে নিতে তাদের আবাসিক বাড়িগুলো ধ্বংস করে এবং জমির ইজারা দেওয়া বন্ধ করে কাশ্মীরিদের শাস্তির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিন পরিষদে উত্তর দেওয়ার অধিকার ব্যবহার করে হিনা রব্বানি খারের এসব অভিযোগের কড়া সমালোচনা করেছে ভারত।
তবে শুধু পাকিস্তানকেই নয়, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে অযাচিত মন্তব্যের জন্য একইসঙ্গে তুরস্ক এবং অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন বা ওআইসির সঙ্গেও যুক্তিতর্কে জড়িয়েছে ভারত।

মানবাধিকার পরিষদে ভারতের প্রতিনিধি সীমা পুজানি বলেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে তুরস্কের প্রতিনিধির করা মন্তব্য দুঃখজনক। আমি বলব, আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তাদের অযাচিত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত। ওআইসির বিবৃতিতে জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের যে অযৌক্তিক উল্লেখগুলো রয়েছে, সেগুলোকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ এ তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর পুরো এলাকা ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। পাকিস্তান অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করে আছে। পাকিস্তান ওআইসির সদস্য দেশ। কিন্তু তাদের সন্ত্রাসবাদে রাষ্ট্রীয় মদদ দেওয়া বন্ধ করতে এবং ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে দখল তুলে নেওয়ার জন্য ওআইসি কখনও আহ্বান জানায়নি।