NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

প্রেসিডেন্ট হলে শত্রু দেশগুলোতে মার্কিন সহায়তা বন্ধ করব : হ্যালি


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১০ পিএম

>
প্রেসিডেন্ট হলে শত্রু দেশগুলোতে মার্কিন সহায়তা বন্ধ করব : হ্যালি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী নিকি হ্যালি বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যদি তাকে ভোট দেওয়া হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘৃণা করে এমন দেশগুলোর জন্য মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দেবেন। এসব দেশের মধ্যে আছে পাকিস্তান, চীন, ইরান ও অন্যান্যরা। শনিবার মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক পোস্টে লেখা এক নিবন্ধে এসব কথা বলেছেন নিকি হ্যালি।

তিনি বলেছেন, আমাদেরকে ঘৃণা করা দেশগুলোকে দেওয়া সহায়তা বন্ধ করে দেব। এক পয়সাও সহায়তা করব না। শক্তিশালী আমেরিকা খারাপ লোকদের সহায়তা করে না। গৌরবান্বিত যুক্তরাষ্ট্র তার জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ নষ্ট করে না। কেবল সেই নেতারা আমাদের আস্থা অর্জন করতে পারেন, যারা আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান এবং বন্ধুদের পাশে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্র্রের সাউথ ক্যারোলিনা রাজ্যের সাবেক গভর্নর নিকি হ্যালি। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

হ্যালি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর বিদেশি সহায়তায় ৪৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। যা বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় অনেক বেশি। অর্থ কোথায় যায় এবং কোন কাজে ব্যয় হচ্ছে তা করদাতাদের জানার অধিকার রয়েছে। এর বেশির ভাগই আমেরিকা-বিরোধী দেশ ও স্বার্থের কাছে যাচ্ছে, যা জানলে করদাতারা হতবাক হবেন।

২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরু করেছেন নিকি হ্যালি। ভোটারদের কাছে নিজেকে রিপাবলিকান দলের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরছেন তিনি।

প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান বংশোদ্ভূত নারী হিসেবে মার্কিন নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন নিকি হ্যালি। সাউথ ক্যারোলিনার সাবেক গভর্নর ও জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি নিজেকে ভারতীয় অভিবাসীদের গর্বিত কন্যা হিসেবে পরিচয় দেন। রিপাবলিকান পার্টির জন্য নতুন ভবিষ্যৎ তৈরির আশাও প্রকাশ করেন তিনি।

নিউ ইয়র্ক পোস্টে লেখা নিবন্ধে উদাহরণ হিসেবে ইরানের কথা উল্লেখ করে হ্যালি বলেছেন, গত কয়েক বছরে ইরানকে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এই দেশটির সরকার খুনি ও সন্ত্রাসীদের আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, যারা ‘আমেরিকার মৃত্যু চাই’ স্লোগান দেয়, আমাদের সৈন্যদের ওপর আক্রমণ চালায়।

তিনি বলেছেন, বাইডেনের প্রশাসন পাকিস্তানে পুনরায় সামরিক সহায়তা শুরু করেছে। যদিও এই দেশটি কমপক্ষে এক ডজন সন্ত্রাসী সংগঠনের আস্তানা। পাকিস্তানের সরকার চীনের ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নির্ভরশীল। টিম বাইডেন জাতিসংঘের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সংস্থাকে অর্ধ-বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে; যা দিয়ে ফিলিস্তিনি জনগণকে সাহায্য করার কথা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এই সংগঠনটি আমাদের মিত্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গভীরভাবে ইহুদি-বিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে।

হ্যালি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র লাখ লাখ ডলার জিম্বাবুয়েকে সহায়তা করেছে। কিন্তু জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার বেশিরভাগ রেকর্ড রয়েছে এই দেশটির। সাউথ ক্যারোলিনার সাবেক এই গভর্নর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি, গৌরব, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।

তার মতে, ইসরায়েল ও ইউক্রেনের মতো আমেরিকান মিত্র ও বন্ধুদের সমর্থন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। তিনি বলেন, শত্রুদের কাছে আমাদের করের অর্থ পাঠানো যাবে না।

হ্যালি লিখেছেন, আমি তেমন প্রেসিডেন্ট হতে চাই, ঠিক যেমন রাষ্ট্রদূত ছিলাম।