NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

সু চির বিচার আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর


খবর   প্রকাশিত:  ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:০৫ পিএম

>
সু চির বিচার আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির বিচার প্রক্রিয়া রাজধানী নেইপিদোর বিশেষ আদালত থেকে কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। কোনো প্রকার ব্যাখ্যা ছাড়াই ক্ষমতাসীন জান্তা এই নির্দেশ দিয়েছে বলে বুধবার রয়টার্সকে জানিয়েছে সু চির মামলা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।

নিরাপত্তার স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, ‘বুধবার বিচারক বলেছেন, এখন থেকে নতুন আদালত ভবনে (সু চির) বিচার কার্যক্রম চলবে।’

‘তবে আমরা জানতে পেরেছি, নতুন ভবন বলতে নেইপিদোর কারাগারকেই বুঝিয়েছেন আদালত।’

তবে কারাগারে বিচার কার্যক্রম চালালেও সু চিকে আপাতত কারাগারে থাকতে হবে না বলে জানিয়েছে সূত্র। সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকে যেখানে তাকে বন্দি রাখা হয়েছে, সেখানেই তাকে রাখার অনুমতি দিয়েছেন জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও বন্দি হন সু চি। মিয়ানমারের তৎকালীন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন।

বন্দি করার পর অজ্ঞাত এক স্থানে রাখা হয় সু চিকে। সেই অজ্ঞাত স্থানের ঠিকানা জান্তা ছাড়া আর কেউ জানে না।

ইতোমধ্যে কারাবন্দি ৭৭ বছর বয়সী ও নোবেলে পুরস্কারজয়ী রাজনীতিক সু চির বিরুদ্ধে অন্তত ২০টি মামলা করেছে জান্তা বাহিনী। এসবের অধিকাংশই দুর্নীতি মামলা। নেইপিদোর বিশেষ আদালতে সেসব মামলার বিচার চলছে, যদি সব মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে অন্তত ১৫০ বছর কারাগারে থাকতে হবে সু চিকে।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সামরিক সরকারের একাধিক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, তবে কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।