NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

ঢাকা শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার লোক আসে


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৫:৩৮ এএম

>
ঢাকা শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার লোক আসে

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল, উচ্চ-ঘন নগর কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি। ঢাকা শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ হাজার লোক আসে। যাদের ৭০ শতাংশই জলবায়ু অভিবাসী। এ বাস্তুচ্যুতদের বেশিরভাগই নদীভাঙন, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ বা আকস্মিক বন্যার কারণে তাদের জমি এবং জীবিকা হারানোর পর আসে।

সোমবার (২০ জুন) নিউইয়র্ক সময় সকাল সাড়ে আটটায় ‘বাস্তুচ্যুতি এবং জলবায়ু সংকট : স্থানীয়করণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং লিঙ্গ-প্রতিক্রিয়াশীল জলবায়ু কর্মের অপরিহার্যতা’ বিষয়ে আইওএম কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় অনলাইনে অংশ নিয়ে ডিএনসিসি মেয়র একথা বলেন। আলোচনায় অংশ নেন সদস্য রাষ্ট্র, বাস্তুচ্যুত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, ইউএনএইচসিআর, আইওএম, আইএফআরসি, ওয়ার্ল্ড ভিশন ইন্টারন্যাশনাল এবং কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল।

আতিকুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে প্রভাবিত করছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও ঝড়ের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নদীতীর ক্ষয় বৃদ্ধির ঝুঁকি দেশের একটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত দৃশ্য। অভিবাসীদের এ আগমন আমাদের পরিবেশ, আমাদের সেবা দেওয়ার ক্ষমতা এবং ঢাকা শহরের শহুরে স্থায়িত্বের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ বাস্তুচ্যুতদের অধিকাংশই ঢাকার অনানুষ্ঠানিক বস্তি এলাকায় চলে যায়, যেখানে আবাসন, উচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব, পানি ও স্যানিটেশনের মতো পরিষেবা প্রদান এবং নিরাপত্তার অভাব সম্পর্কিত যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ আছে।

তিনি আরও বলেন, আমার শহরে, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মোকাবিলা করার এবং কার্বন নিঃসরণ আমাদের সর্বোত্তম ক্ষমতায় কমানোর চেষ্টা করছি, যদিও আমরা এর জন্য দায়ী নই। আমাদের কিছু উদ্যোগ হলো- ২৪টি পার্ক এবং পাবলিক স্পেস পুনর্নির্মাণ, হোল্ডিং ট্যাক্স রেয়াতসহ বাসিন্দাদের দ্বারা ছাদের উপরে বাগান করায় উৎসাহিত করা৷ সড়কবাতিতে স্মার্ট এলইডি লাইট প্রতিস্থাপন করা, যার ফলে বিদ্যুতের খরচ কমপক্ষে ৫০ শতাংশ হ্রাস করে। শহরের অভ্যন্তরে খাল ও জলাশয়ের পুনরুদ্ধার সহ আরও বেশ কিছু উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন নামিবিয়া রেড ক্রস সোসাইটির সেক্রেটারি-জেনারেল গ্লিনিস হ্যারিসন, ওয়ার্ল্ড ভিশন হন্ডুরাস নির্বাহী পরিচালক জর্জ গ্যালিয়ানো, ইয়েমেন তামদীন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন প্রতিনিধি নাদীন আব্দুল কাদের প্রমুখ।