NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

মাটির নিচের ‘গোপন বিমান ঘাঁটির’ ভিডিও প্রকাশ ইরানের


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:২০ পিএম

>
মাটির নিচের ‘গোপন বিমান ঘাঁটির’ ভিডিও প্রকাশ ইরানের

কয়েক বছর ধরেই গোপনে বিমান ঘাঁটি তৈরির কাজ চালাচ্ছিল মধ্যপ্রাচ্যের পরমাণু শক্তিসমৃদ্ধ দেশ ইরান। এবার নিজেদের একটি গোপন ঘাঁটির ভিডিও প্রকাশ করেছে তেহরান। ‘ঈগল ৪৪’ নামের এ ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে পাহাড়ের নিচে।

মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা নিউজ।

সংবাদমাধ্যমটি ঘাঁটির বিবরণে বলেছে, ‘এটি ইরানের বিমান বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। এর ভেতর ক্ষেপণাস্ত্রসহ যুদ্ধবিমান রাখা আছে।’

এ ঘাঁটির প্রধান বৈশিষ্ঠ হলো এটি পাহাড়ের কাছে এবং ‘পৃথিবীর গভীরে’ অবস্থিত। যুদ্ধবিমান ছাড়াও এর ভেতর ড্রোন রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছে ইরনা নিউজ।

সংবাদমাধ্যমটি দাবি করেছে, গত কয়েক বছরে পুরো ইরানজুড়ে অসংখ্য বিমান ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে। মাটির নিচে তৈরিকৃত এ ঘাঁটি সেগুলোরই একটি।

ইরনা নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদিবাদী ইসরায়েলের যে কোনো হামলা প্রতিরোধে এই ঘাঁটি থেকে তাৎক্ষণিক বিমান উড্ডয়ন সম্ভব।

ইরানের কোন জায়গায়, কোন প্রদেশে বা কোন অঞ্চলে এ ঘাঁটির অবস্থান সেটি জানায়নি সেনাবাহিনী।

এর আগে ২০২২ সালের মে মাসে একটি গোপন ড্রোন ঘাঁটি প্রকাশ্যে আনে তেহরান।

এদিকে ইরানের কাছে ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগের কিছু মার্কিন যুদ্ধবিমান আছে। এছাড়া তাদের কাছে আছে রাশিয়ার তৈরি মিগ ও সুখোই বিমান। তবে পশ্চিমারা কয়েক দশক ধরে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ও  রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় খোলা যন্ত্রাংশ না পাওয়ায় এসব বিমান দিনে দিনে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে।