NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা


খবর   প্রকাশিত:  ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৫৬ এএম

>
পাকিস্তানে অনিশ্চিত পেপসি-কোকের ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা

এশিয়ার দেশ পাকিস্তান বর্তমানে ডলার সংকটে ভুগছে। গত ১০ বছরের মধ্যে তাদের বৈদশিক রিজার্ভের পরিমাণ সবচেয়ে কমেছে। আর এ কারণে দেশটিতে এখন থমকে গেছে আমদানি-রপ্তানি।

ফলে যেকোনোভাবে এখন ডলার আনতে চাইছে পাকিস্তান। আর এমন সংকটের মধ্যে দেশটিতে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্বের দুই বৃহৎ কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠান পেপসি ও কোকাকোলা। কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে জানিয়েছিল, পেরেন্ট কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ বাবদ এ অর্থ পাকিস্তানে নিয়ে আসবে তারা।

তবে পেপসি-কোকাকোলার ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাটি অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। মূলত পাকিস্তান সরকার কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ৪ শতাংশ ফেডারেল আবগারি শুল্ক বা ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছে এ দুই কোম্পানি। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে ‘সুগার ট্যাক্স’ আরোপ করা হলে কোমলপানীয়র দামই শুধু বৃদ্ধি পাবে না, সঙ্গে থমকে যেতে পারে ২০০ মিলিয়ন ডলার আনার পরিকল্পনাও।

এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে একটি চিঠিও লিখেছে কোকাকোলা এবং পেপসি। তারা জানিয়েছে, এ ধরনের কর ‘অন্যায়’ কারণ এটি শুধুমাত্র কার্বোনেটেড ড্রিংসের উপরই আরোপ করা হয়।

তারা আরও জানিয়েছে, এমনিতেই কোমলপানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যান্য খাতগুলোর তুলনায় বেশি কর দেয়। এখন যদি নতুন করে আরও কোনো কর আরোপ করা হয় তাহলে পাকিস্তানে এ ইন্ডাস্ট্রি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় পড়বে।