NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo

নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:৪৪ পিএম

>
নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

জমি দখলের অভিযোগে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে ফের চিঠি পাঠিয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এটি প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পাল্টা জবাব দেন এ অর্থনীতিবিদ। তার দাবি, চিঠি দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার বিশ্বভারতীর এস্টেট অফিসের জয়েন্ট রেজিস্ট্রার জমি ফেরত দেওয়ার আবেদন করে অমর্ত্যকে চিঠি পাঠান।

চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অমর্ত্য সেন বিশ্বভারতীর ১৩ ডেসিমেল জায়গা দখল করে রেখেছেন। সমীক্ষার মাধ্যমে এই তথ্য জানতে পেরেছেন কর্তৃপক্ষ। ফলে সেই জমি অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে চিঠিতে। 

বিশিষ্ট এই অর্থনীতিবিদের বিরুদ্ধে বিশ্বভারতীর জমি দখলের অভিযোগ এই প্রথম নয়। বছর দুয়েক আগেও একই অভিযোগে সরব হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। 

এমনকি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সরাসরি অমর্ত্য সেনের নাম উল্লেখ না করে ‌‘জমি চোর’ বলে আপত্তিকর ভাষায় কটাক্ষ করায় প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন অনেকেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে যার নামকরণ করেছিলেন, যিনি নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ মেনে নিতে পারেননি বোলপুরবাসীও। বিষয়টি নিয়ে সে সময়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রীও। এ বিষয়ে অমর্ত্য সেনের পাশে রয়েছেন জানিয়ে চিঠিও দেন তিনি।

পাশাপাশি বিশ্বভারতীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও নেন অমর্ত্য সেন। তার বাড়ির ইতিহাস ব্যাখ্যা করে সরাসরি আইনজীবীর মাধ্যমে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে চিঠি দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ। যদিও সেই আইনি পদক্ষেপকে দূরভিসন্ধিমূলক বলে পাল্টা মন্তব্য করেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। 

বিশ্বভারতীর দাবি, অধ্যাপক সেন বাবার নামে থাকা লিজ নিজের নামে রেকর্ড করার জন্যে বিশ্বভারতীর কাছে আবেদন করায় ২০০৬ সালে বিষয়টি সামনে আসে। 

এরপর প্রায় চার দফায় এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় তার। বিশ্বভারতীর জমি নিজের বাড়ির ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকে রয়েছে জানার পরে অধ্যাপক সেন দখলে থাকা ১৩ ডেসিম‍েল জায়গা বাড়ির সামনে থেকে না নিয়ে, পেছন থেকে নেওয়ার জন্যে অনুরোধ করেন বলেও দাবি করে কর্তৃপক্ষ।