NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬ | ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয় : ডেপুটি স্পিকার বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারকে কী রয়েছে গাড়ি থামিয়ে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘আমার জীবনে বটগাছ হয়ে থেকো’, ওমর সানীর জন্মদিনে মৌসুমী ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত, শান্তি চুক্তির নতুন আশাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাতিলের পথে না গিয়ে এগোতে চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা অন্য দেশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন : মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট আমলে দখল হওয়া খাস জমি উদ্ধার করা হবে : ভূমিমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি নয়, খড়কুটো আঁকড়ে ধরার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের
Logo
logo

পাঠ্যবইয়ে ‘ভুল’: দায় স্বীকার করলেন জাফর ইকবাল-হাসিনা খান


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৫:৫৫ এএম

পাঠ্যবইয়ে ‘ভুল’: দায় স্বীকার করলেন জাফর ইকবাল-হাসিনা খান

ঢাকা: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বইয়ের একটি অংশে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এডুকেশনাল সাইট থেকে নিয়ে হুবহু অনুবাদ করে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার দায় স্বীকার করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন বইটির রচনা ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. হাসিনা খান।

মঙ্গলবার জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ অনুযায়ী লেখা নতুন বইয়ের এই ভুলের বিষয়ে তারা এক যৌথ বিবৃতিতে এই দায় স্বীকার করে নিয়েছেন।

বইটি রচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ড. হাসিনা খান, ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান, ড. মুশতাক ইবনে আয়ূব ও রনি বসাক। আর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

 

বিবৃতিতে জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক হাসিনা খান বলেন, সারা দেশে ২০২৩ সালে চালু হওয়া নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক ছাপা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ১৫ জানুয়ারি একটি দৈনিকের অনলাইনে প্রকাশিত মতামত কলামে সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বইটির বিষয়ে একটি অভিযোগ আমাদের নজরে এসেছে।  

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, এই বইয়ের কোনো কোনো অধ্যায়ের অংশবিশেষ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এডুকেশনাল সাইট থেকে নিয়ে হুবহু অনুবাদ করে ব্যবহার করা হয়েছে। বইয়ের এই নির্দিষ্ট অংশ এবং ওয়েবসাইটটির একই লেখা তুলনা করে অভিযোগটি আমাদের কাছে সত্য বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, একই পাঠ্যপুস্তক রচনার সঙ্গে অনেকে জড়িত থাকেন, যাদের শ্রম ও নিষ্ঠার ফলাফল হিসেবে বইটি প্রকাশিত হয়। বিশেষত জাতীয় পাঠ্যপুস্তক রচনার ক্ষেত্রে এই সব লেখকের কাছ থেকেই একধরনের দায়িত্বশীলতা আশা করা হয়। সেখানে কোনো একজন লেখকের লেখা নিয়ে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তা আমাদের টিমের জন্য হতাশার এবং মন খারাপের কারণ হয়। ওই অধ্যায়ের আলোচিত অংশটুকু লেখার দায়িত্বে আমরা দুজন না থাকলেও সম্পাদক হিসেবে এর দায় আমাদের ওপরও বর্তায়, সেটি আমরা স্বীকার করে নিচ্ছি। অবশ্যই পরবর্তী সংস্করণে বইটির প্রয়োজনীয় পরিমার্জন করা হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ বছর বইটির পরীক্ষামূলক সংস্করণ চালু হয়েছে এবং সামনের শিক্ষাবর্ষ থেকে এতে যথেষ্ট পরিমার্জন ও সম্পাদনার সুযোগ রয়েছে। কাজেই উল্লিখিত অভিযোগের বাইরেও যেকোনো যৌক্তিক মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী পাঠ্যবইয়ের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা পরিমার্জন করা হবে।