NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ থেকে কী পাবে কংগ্রেস


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ মার্চ, ২০২৫, ০৫:৫৪ এএম

>
‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ থেকে কী পাবে কংগ্রেস

তৃণমূল স্তরে কর্মীদের মধ্যে সংযোগ ও জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’। 

দীর্ঘ ৩ হাজার ৫৭০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ১২টি রাজ্য অতিক্রম করে এই লংমার্চ শেষ হবে সর্ব-উত্তরের রাজ্য কাশ্মিরের শ্রীনগরে গিয়ে। 

তিন হাজার কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে কংগ্রেস সমর্থকরা এখন রয়েছেন উত্তর প্রদেশে। কংগ্রেস নেতারা মানছেন, দক্ষিণের মতো উত্তরেও ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’য় অপ্রত্যাশিত সাড়া মিলেছে। কিন্তু ভোটের রাজনীতিতে এর ফল কী হবে, তা নিয়ে তারা কেউই নিশ্চিত নন। 

হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রে রাহুল গান্ধী বলেছেন, কংগ্রেস হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশের মতো হিন্দি বলয়ের রাজ্যে সরকার গড়বে। কিন্তু তা নিয়ে তিনি মোটেই আগ্রহী নন। কংগ্রেস যে রাজ্যে সরকার গড়বে, সেখানে পাঁচ বছরে কংগ্রেস কী কাজ করছে, তা নিয়ে তিনি বেশি আগ্রহী। 

এই পদযাত্রা থেকে তিনি কী আশা করছেন, পদযাত্রা শেষ হওয়ার পরে তিনি কী করবেন— তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রাহুল বলেন, অর্জুন যখন মাছের চোখকে লক্ষ্য হিসেবে স্থির করেছিলেন, তখন কি উনি বলেছিলেন লক্ষ্যভেদের পরে কী করবেন? ভাগবত গীতাতেও এর উত্তর রয়েছে। তুমি তোমার কাজ করে যাও। যা ফল হওয়ার, তা হবে। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা আরএসএস-কে নিশানা করে রাহুল বলেছেন, মোদি চান, তাকে সবাই পূজা করুক। আরএসএস-ও জোর করে পূজা চায়। তাই সমস্ত প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম দখল করে, ভয় তৈরি করে। মোদি তাই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন না। কিন্তু এই দেশ পূজারিদের দেশ নয়, এটা তপস্বীদের দেশ।

এদিকে বিজেপি নেতারাও নড়েচড়ে বসেছেন। যদিও এখনও তারা মনে করছেন, রাহুল-প্রিয়ঙ্কার কর্মসূচিতে বরাবরই ভিড় হয়। কিন্তু তাতে কংগ্রেসের নির্বাচনী বা রাজনৈতিক লাভ হয় না। বিজেপি-আরএসএসের ‘বিভাজন ও বিদ্বেষের রাজনীতি’-র বিরুদ্ধে লড়তে ভারত জোড়ো-র ডাক দিয়ে পদযাত্রাটা সঠিক রাজনৈতিক কৌশল কি না, তা নিয়ে কংগ্রেসের একাংশসহ বিরোধী শিবিরেই দ্বিমত রয়েছে।