NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬ | ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে
Logo
logo

যুক্তরাষ্ট্র: ১১ বার ভোট হলো, জিততে পারলেন না ম্যাকার্থি


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৬:৩৭ এএম

>
যুক্তরাষ্ট্র: ১১ বার ভোট হলো, জিততে পারলেন না ম্যাকার্থি

রেকর্ড করলেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির নেতা কেভিন ম্যাকার্থি। ১১ বার ভোট হলো। রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা এই জিততে পারলেন না। তার এখনও মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার হওয়া হলো না।

১৮৬০ সালের পর থেকে এমন ঘটনা আর ঘটেনি। ১১ বার ভোটাভুটি হলো, অথচ হাউসের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা স্পিকার হতে পারলেন না, এই নজির আর নেই। প্রতিটি ভোটেই রিপাবলিকান পার্টির ২০ জন সদস্য ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। ফলে তিনি স্পিকার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছেন না।

১৮৬০ সালে ৪৪ বার ভোটাভুটির পর স্পিকার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছিল। তবে তখন দাস প্রথার বিষয়টি হাউসের সামনে ছিল। এখন তেমন গুরুতর কোনও বিষয় নেই। কিন্তু রিপাবলিকান দলে ম্যাকার্থির বিরোধীরা বলছেন, তারা ম্যাকার্থিকে বিশ্বাস করেন না।

বিক্ষুব্ধ সদস্য নর্মান বিবিসিকে বলেছেন, ম্যাকার্থির ওপর তাদের আস্থা নেই। তিনি যা বলেন, তা করেন বলে তারা বিশ্বাস করেন না। তিনি জানিয়েছেন, ম্যাকার্থির টিম তাদের হুমকি দিচ্ছে। বিরূপ রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার কথা বলছে। আর তারা বলছেন, ব্যবস্থা নিতে হলে ম্যাকার্থিকে আগে স্পিকার হতে হবে। তারা তাকে স্পিকার হতেই দেবেন না।

ম্যাকার্থি অবশ্য বিক্ষুব্ধদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিটির সদস্য করার কথা বলেছেন। আরও কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধরা তাদের বক্তব্যে অনড়। তাদের দাবি, ম্যাকার্থিকে সরে দাঁড়াতে হবে। তাদের বিশ্বাসভাজন কোনও নেতাকে স্পিকার করতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে ম্যাকার্থি তাদের আরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দিতে রাজি হবেন কিনা, সেই প্রস্তাব বিক্ষুব্ধরা মানবেন কিনা, তার ওপর নির্ভর করছে, কে স্পিকার হবেন।

গত তিনদিন ধরে হাউসে শুধু ভোটাভুটি হচ্ছে। আর কোনও কাজ হচ্ছে না। তাতে উদ্বিগ্ন হয়ে কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য বলেছেন, ব্যক্তিগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে দেশের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।