NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo
logo

চীন-সৌদির ৩ হাজার কোটি ডলারের চুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৬:৪৯ এএম

>
চীন-সৌদির ৩ হাজার কোটি ডলারের চুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সৌদি সফরের দ্বিতীয় দিন দুই দেশের মধ্যে ৩৪টি বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব চুক্তির সম্মিলিত আর্থিক মূল্য ৩ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি।

দেশ দুটির এই অর্থনৈতিক সমঝোতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার সৌদির সরকারি বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাত দিয়ে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির পরিবেশবান্ধব জ্বালানি, গ্রিন হাইড্রোজেন, সৌর বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি, জৈব প্রযুক্তি, যোগাযোগ, পরিবহন, আবাসন, চিকিৎসা, পর্যটনসহ আরও বেশ কয়েকটি খাতে অর্থ বিনিয়োগ করবে চীন।

তিন দিনের এক সরকারি সফরে বুধবার সৌদিতে গেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরুর পর এটি জিনপিংয়ের তৃতীয় বিদেশ সফর। সৌদিতে এটি তার দ্বিতীয় সফর। সর্বশেষ ২০১৬ সালে সৌদি গিয়েছিলেন তিনি।

চলতি সফরে সৌদির বাদশাহ সালমান এবং দেশটির যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ-বৈঠকের সূচি আছে জিনপিংয়ের। তারপর মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলসহ অন্যান্য অঞ্চলভুক্ত বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।

সৌদি সরকারের বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ বিন আবদুল আজিজ আল ফালাহ বার্তাসংস্থা এসপিএকে বলেন, ‘সরকার সৌদির অর্থনীতি পুনর্গঠন ও সংস্কার করতে ভিশন ২০৩০ প্রকল্প নিয়েছে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য জ্বালানি তেলের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতকে আরও উৎপাদনশীল ও শক্তিশালী করা।’

দেশটিতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রচুর ক্ষেত্র রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিবহন, যোগাযোগ, আবাসন, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তিসহ প্রচুর খাত আমাদের আছে— যেগুলোতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। এসব খাতে আমরা অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও চাইছি।’

‘চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অনেক বছরের। কিন্তু গত কয়েক বছরে সৌদি আরব ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্যের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছে। পাশপাশি দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যকার আস্থা ও অংশীদারিত্বপূর্ণ মনোভাবও দৃঢ় হচ্ছে। তারই ফলাফল এসব (৩৪টি) চুক্তি।’

সৌদি সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে চীন ও সৌদির মধ্যে ৮ হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। আর এ বছর নভেম্বর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য হয়েছে ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের।

এদিকে, সৌদি-চীন বিনিয়োগ চুক্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের দীর্ঘকালীন মিত্র একটি দেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের এত বৃহৎ অর্থনৈতিক সমঝোতায় অসন্তোষ জানিয়েছে দেশটির সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের হোয়াইট হাউস প্রতিনিধি বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি— বিশ্বজুড়ে নিজেদের প্রভাব বিস্তারে চীন অতিমাত্রায় তৎপর হয়ে উঠেছে।’