NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

খাশোগি ইস্যু: যুক্তরাষ্ট্রে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ মার্চ, ২০২৫, ০২:০৩ এএম

>
খাশোগি ইস্যু: যুক্তরাষ্ট্রে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

সৌদি আরবের সাংবাদিক ও কলাম লেখক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা হয়েছিল। ২০২০ সালে সালমানের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেছিলেন খাশোগির বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিজ। তবে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) এটি খারিজ করে দিয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসির একটি নির্বাহী আদালত।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভাগীয় বিচারক জন বাতেস এ রায় দিয়েছেন। যদিও তিনি জানিয়েছেন, প্রিন্স সালমানের বিরুদ্ধে মামলাটি খারিজ করতে চাননি। কিন্তু যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন সালমানকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই’ দিয়েছে, তাই মামলা খারিজ না করা ছাড়া তার অন্য কোনো উপায় ছিল না।

২৫ পাতার রায়ে বিচারক জন বাতেস লিখেছেন, ‘আদালতের আপত্তি সত্ত্বেও, বিন সালমানের সৌদি আরবের নতুন দায়িত্ব পাওয়া (প্রধানমন্ত্রী হওয়া) এবং জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সময় তার জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকার আদালতকে জানিয়েছে প্রিন্স সালমানকে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে না।’

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে এক রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে প্রিন্স সালমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ। মূলত খাশোগি হত্যাকাণ্ডের বিচার থেকে বাঁচতে তাকে প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে সৌদির রাজ পরিবারে সমালোচনা করে বিভিন্ন কলাম লিখতেন খাশোগি। ধারণা করা হয়, এ কারণে তার ওপর ক্ষিপ্ত হন প্রিন্স সালমান। ফলে তাকে হত্যা করতে ছক কষেন তিনি।

এরপর সুযোগ বুঝে ২০১৮ সালে সালমানের সরাসরি নির্দেশে একটি হিট স্কোয়াড তুরস্কে অবস্থিত সৌদি আরবের দূতাবাসে খাশোগিকে হত্যা করে তার মরদেহ গলিয়ে ফেলে।

যদিও সালমান শুরুর দিকে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন। কিন্তু পরবর্তীতে জানান, হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ না দিলেও তার নজরে ছিল এ ঘটনা।

তুরস্কের নাগরিক হাতিস চেঙ্গিজকে বিয়ে করতে ২০১৮ সালে তুরস্কে এসেছিলেন জামাল খাশোগি। তিনি বিয়ে সংক্রান্ত কাগজপত্র আনতে সৌদি দূতাবাসে গিয়েছিলেন। সেখানেই নির্মম পরিণতি বরণ করতে হয় তাকে।