NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

সমকামিতার বিরুদ্ধে নতুন কঠোর আইনে পুতিনের স্বাক্ষর


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ নভেম্বর, ২০২৪, ০৫:১১ এএম

>
সমকামিতার বিরুদ্ধে নতুন কঠোর আইনে পুতিনের স্বাক্ষর

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সমকামিতার বিরুদ্ধে নতুন কঠোর আইনে স্বাক্ষর করেছেন। এ আইনের মাধ্যমে রাশিয়ায় সমকামিতার পক্ষে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা, আচার-আচরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

নতুন আইন অনুযায়ী— সমকামিতার পক্ষে প্রকাশ্যে, অনলাইনে, চলচ্চিত্রে, বইয়ে এবং বিজ্ঞাপনে কোনো কিছু প্রকাশ করা হলে , দেখানো হলে এবং লেখা হলে তা সমকামিতার ‘প্রচার-প্রচারণা’ এবং অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এ অপরাধে জড়িতদের মোটা অংকের অর্থ জরিমানা করা হবে।

এর আগে শিশুদের সামনে সমকামিতার প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ ছিল রাশিয়ায়। এখন এই আইনটি আরও কঠোর করা হয়েছে। নতুন আইনে প্রকাশ্যে সমকামিতার সব ধরনের কার্যক্রমই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

পুরোনো আইনের মাধ্যমেই রাশিয়ায় সমকামীদের মিছিল (প্যারেড) নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। এখন আরও শক্তভাবে এসব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে দেশটিতে নতুন আইন জারি করা হলো।

প্রেসিডেন্ট পুতিন আইনটিতে স্বাক্ষর করার আগে এটি রাশিয়ার সংসদের নিম্ন কক্ষে তোলা হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে আইনটি পাস করা হয়। এরপর আইনটি প্রণয়নে স্বাক্ষরের জন্য পুতিনের কাছে পাঠানো হয়।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো দাবি করেছে, রাশিয়ায় সমকামী নারী ও পুরুষদের প্রকাশ্যে মেলামেলা বন্ধে নতুন করে এর বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সমকামিতাকে রাশিয়ায় পশ্চিমাদের ‘আমদানি’ করা বিষয় হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।