NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ যশোরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রয়েছে যেসব কর্মসূচি দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা তনু হত্যাকাণ্ডের রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের ইউনেস্কো প্রতিনিধিদের সঙ্গে মাহদী আমিনের সাক্ষাৎ হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন শর্ত দিল ইরান শিগগিরই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হবে: ট্রাম্প বাবার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই : পূজা চেরী ব্যাংকগুলো ‘খালি হয়ে গেছে’: অর্থমন্ত্রী বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র থেকে বই কিনলেন জাইমা রহমান এমপির গাড়িতে হামলায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ ডেপুটি স্পিকারের ওয়াশিংটনে গুলির ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা ট্রাম্পের
Logo
logo
ব্রাজিল নির্বাচন

হার মানলেন বলসোনারো, প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন লুলা


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ০১:৩১ এএম

হার মানলেন বলসোনারো, প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন লুলা

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ব্রাজিলের নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা ডানপন্থী জাইর বলসোনারোকে পরাজিত করে আবারও প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, লুলা ৫০.৯ শতাংশ ও বলসোনারো ৪৯.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

অল্প ব্যবধানে হার মেনেছেন বলসোনারো, যদিও নির্বাচনের আগে তিনি নিশ্চিত ছিলেন, তিনিই বিজয়ী হবেন।

লুলার এ জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ, তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশই নিতে পারেননি।

 

সেসময় ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় তেল কম্পানি পেট্রোব্রাসের সঙ্গে এক চুক্তির বিনিময়ে ব্রাজিলের একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অপরাধে তিনি জেলে ছিলেন। সেখান থেকে চমৎকারভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি।  

 

এর আগে, লুলা ২০০৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন। সেসময় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, বলসোনারো ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও লাগামছাড়া কথাবার্তার জন্য সমালোচিত ছিলেন। করোনাকালের শুরুতে ব্রাজিলকে রক্ষায় তিনি বিশেষ কোনো পদক্ষেপ নেননি।  

শুধু ব্রাজিল নয়, পুরো বিশ্বের মানুষ আগ্রহ নিয়ে এই নির্বাচনটি দেখেছেন। পরিবেশকর্মীরা বিশেষভাবে চিন্তিত ছিলেন যে, বলসোনারো সরকার আরো চার বছর ক্ষমতায় থাকলে আমাজন বন উজাড় আরো বেড়ে যেত। এনিয়ে লুলা তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমাজন রক্ষায় তিনি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আশা করেন। তাঁর বক্তৃতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ক্ষুধা মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি, যা ব্রাজিলে বেড়েই চলেছে। দুইবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা লুলার জনপ্রিয়তার মূল চাবিকাঠি ছিল লাখ লাখ ব্রাজিলিয়ানকে দারিদ্র্যমুক্ত করা।

সূত্র : বিবিসি