NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১০, ২০২৬ | ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?: শেখ হাসিনা ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির
Logo
logo

১৫ কোটি টাকার সম্পদ তার, নেই বৈধ কোনো উৎস


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:৫৪ এএম

>
১৫ কোটি টাকার সম্পদ তার, নেই বৈধ কোনো উৎস

শেখ হুমায়ূন কবির নামের এক মাদক কারবারির ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শেখ হুমায়ূন কবির মাদক কারবারি হিসেবে পিরোজপুরে নিজ এলাকায় পরিচিত। এছাড়াও তার নকল টাকা ও ডলারের অবৈধ ব্যবসার খোঁজ পেয়েছে দুদক।

তার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিকানার প্রমাণ পাওয়া গেলেও বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি। যে কারণে তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

শনিবার (২২ অক্টোবর) দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি হুমায়ূন ২০০২ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সময়ে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ২০৩ টাকার কৃষিজমি এবং ১ কোটি ৮ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৩ টাকার অকৃষিজমি ক্রয় করেন। এছাড়া পিরোজপুর সদরে ‘মনের বাড়ি’ নামক একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

পিরোজপুর সদরে তার কিছু জমিসহ দোতলা বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ৬১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৭৪ টাকা। অন্যদিকে পিরোজপুর সদরে বড় খালিশাখালী মৌজায় তার বাগানবাড়িতে আরও একটি নির্মাণাধীন বিল্ডিং রয়েছে। এসব তথ্য আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হলেও নির্মাণ ব্যয় ৪০ লাখের হিসাব পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধানে ঢাকার ৩৬, পূর্ব রাজাবাজারে ‘টাচ হক হেভেন’ নামক ভবনে ১ হাজার ৩৫০ বর্গফুট আয়তনের একটি ফ্ল্যাট, পান্থপথের পূর্ব রাজাবাজার এলাকায় ৮২ লাখ টাকার আরও একটি ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে।

এছাড়া পিরোজপুরের শেরে বাংলা পাবলিক লাইব্রেরি কমপ্লেক্সের ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৫০০ টাকার দোকান, স্ত্রীর নামে কেনা ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৫ লাখ টাকার জমির তথ্য প্রমাণ মিলেছে। এভাবে মোট ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭ হাজার ৬২৬ টাকার স্থাবর সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। বাকিটা অস্থাবর সম্পদ।