NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার গুলি, কমপক্ষে ৩১ জন নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:০০ পিএম

থাইল্যান্ডে ডে-কেয়ার সেন্টারে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার গুলি, কমপক্ষে ৩১ জন নিহত

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে শিশুদের একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে এলোপাতাড়ি গুলিতে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তা এই বন্দুক হামলা চালিয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশের একজন মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন। দেশটির পুলিশের উপ-মুখপাত্র আর্চন ক্রাইটং রয়টার্সকে বলেছেন, গুলিতে কমপক্ষে ৩১ জন মারা গেছেন।

ডে-কেয়ার সেন্টারে নিহতদের মধ্যে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরাও রয়েছেন।  

নং বুয়া লামফু প্রদেশের একজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহতদের মধ্যে ২৩ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া একাধিক শিক্ষক এবং একজন সাবেক পুলিশ সদস্য রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলাকারীর গুলি এবং ছুরিকাঘাতে তারা নিহত হন। তবে ওই পুলিশ এখনো পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। হামলার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। এই হামলার পর স্কুলের বাইরে, মেঝে এবং মাঠে রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।  

সন্দেহভাজন ৩৪ বছর বয়সী ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম পান্যা খামরাপ। মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর গত বছর তাকে পুলিশ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। স্থানীয় সময় আগামীকাল শুক্রবার আদালতে হাজির থাকার কথা ছিল তার। ঘটনার পর সাদা রঙের ভিগো পিকআপ ট্রাকে পালিয়ে যান তিনি। পালিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির বাম্পারটি খুলে পড়ে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত চান ওচা অপরাধীকে গ্রেপ্তার করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।  

থাইল্যান্ডে এ অঞ্চলের বন্দুকের মালিকানার হার বেশি। অবশ্য সরকারি হিসাব এ-ও বলছে, সেখানে বিপুলসংখ্যক অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। এর আগে ২০২০ সালে ক্ষুব্ধ একজন সৈনিকের গুলিতে কমপক্ষে ২৯ জন নিহত এবং ৫৭ জন আহত হয়েছিলেন।

সূত্র : বিবিসি।