NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ | ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম : রাষ্ট্রপতি ইসরায়েলি বসতিতে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কানাডার মদসহ বিভিন্ন পণ্যে ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৯ অক্টোবর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ট্যাংকার যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা ইউরোপের বাকি দেশগুলোতেও ক্ষমতায় যাচ্ছে কট্টর ডানপন্থীরা? ইতালিতে বাঁধনকে ‘হেনস্তা’, কী বলছেন অভিনেত্রী বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
Logo
logo

প্লাস্টিকের পুরোনো বোতলে পানি পানে কমতে পারে প্রজনন ক্ষমতা


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ অক্টোবর, ২০২৪, ০৭:৩৯ এএম

প্লাস্টিকের পুরোনো বোতলে পানি পানে কমতে পারে প্রজনন ক্ষমতা

একই বোতলে পানি রাখেন প্রতিদিন! বিশেষ করে অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই কাজ অনেকেই করে থাকেন। এর ফলে দেখা দিতে পারে দুরারোগ্য ব্যাধি! এমনকি প্রজননের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

তৎক্ষণাৎ কিছু না বোঝা গেলেও দিনের পর দিন এমন কাজ করলে বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে শরীরের। তাই আগে থেকেই সাবধান থাকতে হবে।

বাজারে যে পানির বোতলে পানি বিক্রি করা হয়, তার অধিকাংশই এক বার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকে তৈরি। এই ধরনের বোতলে দিনের-পর-দিন পানিপান করলে তাতে বৃদ্ধি পায় শরীরে ক্যানসারের আশঙ্কা।

প্লাস্টিক বোতল তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ‘বিসফেনল এ’ বা ‘বিপিএ’-সহ একাধিক উপাদান, যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই ধরনের বোতলে দিনের পর দিন পানি পান করতে থাকলে বোতল থেকে ক্রমাগত এই উপাদানগুলো শরীরে প্রবেশ করতে থাকে। এই উপাদানগুলি রক্তে মিশলে কিডনির সমস্যা তৈরি হতে পারে। প্লাস্টিকের বোতলে যদি গরম পানি ভরা হয়, তবে আরও বৃদ্ধি পায় এই ঝুঁকি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহারের ফলে দেহে প্রবেশ করতে পারে ক্ষতিকর ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’। প্লাস্টিকের আণুবিক্ষণিক কণাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক’ বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ৯৩ শতাংশ প্লাস্টিক বোতলেই রয়েছে এই ক্ষতিকর উপাদান।

শুধু যিনি পানি পান করছেন তিনিই নন, এর ফলে ক্ষতি হতে পারে পরের প্রজন্মেরও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘টাইপ ৭’ নামক এক ধরনের প্লাস্টিক থেকে দেখা দিতে পারে প্রজননের সমস্যা। তা ছাড়া বিপিএ হরমোন ও ক্রোমোজোমের সমস্যাও ডেকে আনতে পারে। ক্রোমজোমের সমস্যা তৈরি হলে সন্তানের দেহে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মত কারও কারো।