NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’ জাতিসংঘ জীববৈচিত্র্য সম্মেলন: ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জবাবদিহিতার মুখোমুখি বিশ্বনেতারা শিক্ষার্থীদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুই আবেদন ফ্রান্সে বিক্ষোভে সহিংসতা : পর্যটন দপ্তরে আগুন, গ্রেপ্তার ১৬০ জনের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল মাঠে ট্রাক ঢুকে শিশুসহ নিহত ২ সেই ফেক ভিডিও নিয়ে এবার ক্ষোভ ঝাড়লেন পরীমনি
Logo
logo

আমিরাতকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০১:৩৮ পিএম

>
আমিরাতকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশকে হারের শঙ্কাতেই ফেলে দিয়েছিল প্রথম ম্যাচে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে এসে তাদের আর তেমন কিছু করতে দেননি নুরুল হাসানরা। ১৬৯ রানের পুঁজি দারুণ দক্ষতায় সামলেছেন বোলাররা, তাতে ৩২ রানের সহজ জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। যার ফলে ২-০ ব্যবধানে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশও করে ফেলেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতে সাব্বির রহমানকে হারায় বাংলাদেশ। তবে এরপরই সামলে নেয় ওপেনার মেহেদি হাসান মিরাজ আর লিটন দাসের ব্যাটিংয়ে। পাওয়ারপ্লে থেকে আসে ৪৮ রান। 

পাওয়ারপ্লে শেষের কিছু পরেই লিটন ফেরেন ২০ বলে ২৫ রান করে। এরপর আফিফ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন। দারুণ দুটো বাউন্ডারিতে ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন আগের ম্যাচের ছন্দটা এই ম্যাচেও টেনে আনার। তবে ১০ বলে ১৮ রান করে তিনিও ফেরেন একটু পর। ১৫তম ওভারে বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়ে ওপেনার মিরাজ ফেরেন ফিফটি থেকে ৪ রান দূরে থেকে। তার বিদায়ের ফলে আর রানের চাকার গতি বাড়ানো সম্ভব হয়নি। রান রেটটা ঘুরেছে ৮ এর আশেপাশেই।

১৭তম ওভারের শেষে মোসাদ্দেকও যখন ফিরলেন ২২ বলে ২৭ রানের ইনিংস খেলে, তখন দলের রান ছিল কেবল ১৩৭। সেখান থেকে বাংলাদেশের রানটা ১৬০ পেরিয়েছে ইয়াসির আলী ও অধিনায়ক নুরুল হাসানের কল্যাণে। দুজন মিলে শেষ তিন ওভারে তোলেন ৩২ রান। তাতেই ১৬৯ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশ সফলতা পায় ইনিংসের তৃতীয় ওভারে। চিরাগ সুরিকে ফেরান নাসুম আহমেদ। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে মুহাম্মাদ ওয়াসিমকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে আরিয়ান লাকরা ফেরেন মোসাদ্দেক হোসেনের শিকার হয়ে। ঠিক পরের বলেই যখন বৃত্ত অরবিন্দ ফিরলেন, ২৯ রানে ৪ উইকেট খোয়ানো সংযুক্ত আরব আমিরাত অল্পেতেই গুটিয়ে যাবে, মনে হচ্ছিল তেমনটাই। 

সেখান থেকে আমিরাত যে আর মাত্র এক উইকেট খুইয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ করল, তার কৃতিত্বের পুরোটা যাবে অধিনায়ক রিজওয়ান আর বাসিল হামিদের ভাগে। রিজওয়ান ফিফটি করে অপরাজিত থাকেন, বাসিল ৪২ রানের ইনিংস খেলে এবাদত হোসেনের শিকার হয়ে ফেরেন ১৯তম ওভারে। 

তাতে বাংলাদেশের অবশ্য খুব বেশি ক্ষতি হয়নি, জয়ের ব্যবধানটা কমেছে এই যা! শেষমেশ ৩২ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। নিশ্চিত হয়ে যায় ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়টাও।