NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হয়ে উঠবেন ট্রাম্প ওয়ানডে বিশ্বকাপ দেখতে এখনই ১২ কোটির বেশি আবেদন ৮৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার
Logo
logo

সুইজারল্যান্ডেও সহিংস রূপ নিল বিক্ষোভ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ এএম

সুইজারল্যান্ডেও সহিংস রূপ নিল বিক্ষোভ

সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুমতি ছাড়া আয়োজিত দুটি বিক্ষোভ কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। এ সময় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়।

 

শহরের কেন্দ্রীয় এলাকা ল্যাংস্ট্রাসেতে শত শত মানুষ জড়ো হন।তাদের অনেকের মুখে ছিল হ্যালোউইন মুখোশ এবং প্রধান রেলস্টেশন থেকে কয়েকশ মিটার দূরে হেলভেটিয়াপ্লাটজের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। এ সময় বিক্ষোভকারীরা আতশবাজি ও ফ্লেয়ার বা জ্বলন্ত সংকেত বাতি ফোটান।

 

 

বার্তা সংস্থা কিস্টোন-এটিএসের এক সাংবাদিক জানান, বিক্ষোভকারীরা হেলভেটিয়াপ্লাটজে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এ সময় একটি বাসস্টপের ছাউনি ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি আবর্জনার ঝুড়ি, সাইকেল ও অন্যান্য জিনিসপত্র দিয়ে তৈরি একটি ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

 

বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। জুরিখের মিউনিসিপ্যাল পুলিশ জানায়, বিক্ষোভকারীদের ছোট ছোট দল শহরের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনার ঝুড়িতে আগুন দেয়।

এ ছাড়া একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং কয়েকটি দোকানের কাচ ভাঙচুর করা হয়। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীরা বারবার তাদের লক্ষ্য করে আতশবাজি, বোতল ও পাথর ছুড়েছে। 

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করে। রাত দেড়টা পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলে। এদিকে জরুরি চিকিৎসাসেবার একটি ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে পুলিশের একটি টহল দলও হামলার শিকার হয়।

এতে পুলিশের গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনায় পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়া এক কিশোরকে সহায়তা করতে যাওয়ার আগেই পুলিশ সদস্যদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়।

 

ক্যান্টন পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, রাত ৯টার দিকে বাসেলের কেন্দ্রস্থলে প্রায় ১৫০ জন মানুষ জড়ো হন। কয়েকটি বক্তৃতার পর বিক্ষোভকারীরা রাইন নদীর ওপর নির্মিত ‘মিতলের রাইনব্রুকে’ সেতু পার হন।

সেতুটি নদীর বাম তীরের শহরকেন্দ্রের সঙ্গে ডান তীরের ‘ক্লাইনবাসেল’ এলাকাকে যুক্ত করেছে। এরপর মিছিলটি ঐতিহাসিক শহরের কেন্দ্রস্থল ‘মার্কটপ্লাৎজ’ হয়ে উত্তরের ‘সেন্ট জোহান’এলাকার দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে কয়েকজন বিক্ষোভকারী আবর্জনার ঝুড়ি ও ধাতব ব্যারিকেড দিয়ে তৈরি প্রতিবন্ধকগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে।

জুরিখের মতো বাসেলের বিক্ষোভকারীরাও ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তরুণদের আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের আন্দোলনের তুলনা করেছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘জেন-জেড রেগেল্ট!’ স্লোগান ব্যবহার করে মানুষকে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জার্মানির তরুণ বিক্ষোভকারীরাও একই স্লোগান ব্যবহার করে থাকেন। এর অর্থ ‘জেনারেশন জেড এখন দায়িত্বে!’।