সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় লাগা আগুনে নিহত নওগাঁর বাকি পাঁচজনের মরদেহ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশে আসছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ, সৌদি আরবের কাউন্সিলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
খবর প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:১০ পিএম

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় লাগা আগুনে নিহত নওগাঁর বাকি পাঁচজনের মরদেহ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশে আসছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদ, সৌদি আরবের কাউন্সিলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ আগস্ট সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় সংঘটিত আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী মারা যান। এরমধ্যে গত ২৭ আগস্ট ৯ জনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাতটি মরদেহের পরিচয় (ডিএনএ) শনাক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মরদেহসমূহ বাংলাদেশে পাঠানো যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর বাকি পাঁচজন হলেন— নওগাঁ শহরের পার নওগাঁ এলাকার মজনু রহমানের ছেলে শাহিন, আত্রাই উপজেলার ডুবাই গ্রামের নাজমুল হুদার ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, একই উপজেলার মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের আক্কাস প্রামানিকের ছেলে মিনহাজ প্রামানিক, মাধবপুর গ্রামের মজনু সরদারের ছেলে মাসিদুল সরদার সজিব এবং সাধনগর গ্রামের আজহার আলীর ছেলে সাগর আলী।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নিহত পরিবারগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওয়েজ অর্নার্স বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে মরদেহগুলো কীভাবে দ্রুত আনা যায় সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালায়ের বরাত দিয়ে ইউএনও আরো বলেন, সৌদি আরবের সোফা কারখানায় আগুনের ঘটনায় শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে গত ২৭ আগস্ট আত্রাই উপজেলার নিহত ১১ জনের মধ্যে সাতজনের মরদেহ দেশে আসে।