হাতে প্ল্যাকার্ড, কণ্ঠে যুদ্ধবিরোধী স্লোগান। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নেমেছিলেন হলিউডের তারকারাও।
খবর প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৯ এএম

হাতে প্ল্যাকার্ড, কণ্ঠে যুদ্ধবিরোধী স্লোগান। ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রতিবাদ জানাতে রাজপথে নেমেছিলেন হলিউডের তারকারাও।
নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার আগে নিউইয়র্কের ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন বিক্ষোভকারীরা।

ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘জিউয়িশ ভয়েস ফর পিস’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ বিক্ষোভে সুসান ও হান্নাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ‘সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’খ্যাত অভিনেত্রী সিনথিয়া নিক্সন, অভিনেতা এলিয়ট পেজ ও ইন্ডিয়া মুর, কমেডিয়ান ক্যালেব হিয়ারন, সারাহ শারম্যানসহ বিনোদন ও সংস্কৃতি অঙ্গনের আরো অনেকে। তবে তাদের সবাইকে আটক করা হয়নি।
পুলিশের নির্দেশের পরও বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ সড়ক অবরোধ করে অবস্থান চালিয়ে যান। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে নিতে অভিযান চালায়। আয়োজকদের বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এ ঘটনায় শতাধিক মানুষকে আটক করা হয়েছে। তবে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) আটক ব্যক্তিদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।
বিক্ষোভের সময় সুসান সারান্ডনকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
আটকের পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি বার্তা দেন হান্নাহ। তিনি লেখেন, ‘নেতানিয়াহুর এই লজ্জাজনক নিউইয়র্ক সফরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমি ও আমার বন্ধুদের গ্রেপ্তার হওয়ার ছবিগুলো যদি কারো মনোযোগ কাড়তে পারে, তবে তা ফিলিস্তিন ও দক্ষিণ লেবাননের মানুষের ওপর চলা এই ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক গণহত্যার জন্যই উৎসর্গ করা হোক।’
দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছেন অস্কারজয়ী সুসান সারান্ডন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেও বিভিন্ন সময়ে সরব হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে হান্নাহও প্রকাশ্যে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে অবস্থান জানিয়েছেন।
নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সফর ঘিরে নিউইয়র্কে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। একই সময়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার ভাষণ চলাকালে বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের অধিবেশনকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যেতেও দেখা যায়।
গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েল গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণেও নেতানিয়াহু এ অভিযোগ অস্বীকার করেন।