NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো


Shibbir Ahmed   প্রকাশিত:  ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৭ এএম

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো

ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ফাইনাল ম্যাচে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ণাঢ্য হাফটাইম শো। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল ও সংগীতের এক অনন্য সমন্বয় দেখতে পাবেন বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে বিরতির সময় বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনের শিল্প নির্দেশনায় রয়েছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান কণ্ঠশিল্পী ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পী ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। এছাড়া অংশ নেবেন বার্না বয়, গুস্তাভো দুদামেল এবং পিএস২২ কোরাস।

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও আকর্ষণীয় ও বৈশ্বিক বিনোদনের পরিসরে নিয়ে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেও এই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই হাফটাইম শোর কারণে ফাইনাল ম্যাচের বিরতির সময় প্রচলিত ১৫ মিনিটের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মঞ্চ প্রস্তুতি, পরিবেশনা এবং তা অপসারণের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নতুন সংযোজন নিয়ে ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বিনোদনের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ দীর্ঘ বিরতির কারণে ম্যাচের ছন্দ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। ফিফা আশা করছে, এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত করবে।