NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ মিশনকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০৬ এএম

খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ মিশনকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অনুষ্ঠিত শোকজ্ঞাপন কর্মসূচির বিস্তারিত এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলো কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনকে।

গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর পর চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে খালেদা জিয়া ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান ও সাবেক বিধায়কদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়।

বিধানসভায় শোকজ্ঞাপনের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিনের জন্য অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়।

এবার সেই শোকজ্ঞাপন পর্বের কার্যবিবরণী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মিশনের কাছে পাঠাল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। ২ জুন বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ বসু কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের নির্দেশে ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির বিধানসভা অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গৃহীত শোকবার্তার অংশবিশেষ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছেও সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পারস্পরিক কূটনৈতিক ও মানবিক সম্পর্কের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।