NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার সুসান রাইল।

তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামরিক  সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একইসঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ অভিমত ব্যক্ত করেন।