NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ মে, ২০২৬, ১০:০৫ এএম

ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলার প্রেক্ষাপটে ইরানের ওপর পরিকল্পিত বড় ধরনের সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

তবে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, সন্তোষজনক কোনো চুক্তি না হলে মুহূর্তের নোটিশে ইরানের ওপর পূর্ণাঙ্গ হামলা চালানো হবে।

 

নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, উপসাগরীয় নেতাদের অনুরোধে তিনি মঙ্গলবার (১৯ মে) এই হামলা স্থগিত রাখছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘খুবই গ্রহণযোগ্য’ একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে যে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এটিকে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি বলে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘যদি আমরা তাদের ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ না করেই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি, তাহলে আমি খুব খুশি হব। তবে শেষ পর্যন্ত এর থেকে কিছু বের হয়ে আসে কি না, তা আমাদের দেখতে হবে।’

 

তিনি আরো ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে, যা আমেরিকার আগের কঠোর অবস্থান (সম্পূর্ণ সমাপ্তির দাবি) থেকে কিছুটা সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। 

চলতি বছরের ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

জবাবে তেহরানও উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েল ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে।

 

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মূল ভয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা চালালে ইরান তাদের ওপর পাল্টা আঘাত করতে পারে। বিশেষ করে গরমের এই সময়ে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে ওই অঞ্চলের বিমানবন্দর, পেট্রোকেমিক্যাল কারখানা এবং গুরুত্বপূর্ণ লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

এদিকে, এপ্রিল মাসে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও ইরান এখনো গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। বিশ্ববাজারের প্রায় ২০% তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এই জলপথ অবরুদ্ধ থাকায় এবং মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সৃষ্টি করায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

 

সূত্র : বিবিসি