NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

ফিলিপাইন-ভিয়েতনামে জ্বালানিসংকট : জরুরি অবস্থা জারিসহ নানা পদক্ষেপ


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম

ফিলিপাইন-ভিয়েতনামে জ্বালানিসংকট : জরুরি অবস্থা জারিসহ নানা পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামে। সেখানে সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।

ফিলিপিন্স প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস দেশটিতে ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন।

ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় এটিই বিশ্বের প্রথম আনুষ্ঠানিক এমন ঘোষণা।

 

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি জানান, সরকার নতুন উৎস থেকে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছে এবং অতিরিক্ত এক মিলিয়ন ব্যারেল তেল কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশটির জ্বালানি মজুদ প্রায় ৪৫ দিনের জন্য যথেষ্ট।

প্রেসিডেন্ট মার্কোস বলেন,  ‘আমাদের তেলের সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

শুধু এক বা দুইবার নয়, ধারাবাহিকভাবে তেল ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।’ জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সরকার জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা এবং অর্থনীতি সুরক্ষায় বিশেষ ক্ষমতা পেয়েছে। কোনো বিকল্পই বাদ দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিপিন্স রাষ্ট্রদূত হোসে ম্যানুয়েল রোমুয়ালদেজ জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশগুলো থেকেও তেল আমদানির জন্য বিশেষ সুবিধা পেতে ম্যানিলা ও ওয়াশিংটন একসঙ্গে কাজ করছে।

 

 

সরকার জ্বালানি, খাদ্য, ওষুধসহ জরুরি পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করেছে এবং সরাসরি জ্বালানি কেনার ক্ষমতা পেয়েছে। এই জরুরি অবস্থা এক বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। সংকট মোকাবিলায় সরকার পরিবহন খাতে ভর্তুকি দিয়েছে, ফেরি পরিষেবা কমিয়েছে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে।

জ্বালানি সচিব শ্যারন গারিন জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রয়েছে। এলএনজির উচ্চমূল্যের কারণে সাময়িকভাবে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হতে পারে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত তেল ও গ্যাসের প্রায় ৯০ শতাংশই এ অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। একই পরিস্থিতিতে ভিয়েতনামও জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশটির সরকার পেট্রোল, ডিজেল ও জেট জ্বালানির ওপর আরোপিত পরিবেশ সুরক্ষা কর এবং বিশেষ ভোগ কর সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমানো এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। ভিয়েতনামের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কর স্থগিতাদেশ আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।