NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ২৪, ২০২৬ | ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দেশের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনায় রাজি বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি স্থায়ী সমাধানে তৎপর পাকিস্তান যে ৩ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মার্কিন নৌবাহিনীর সচিবের হঠাৎ পদত্যাগ, তৎক্ষণাৎ কার্যকর লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় একতরফা দোষারোপ না করার অনুরোধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমানা পার করবেন না—লেবাননবাসীকে নতুন হুমকি ইসরায়েলের ইরান যুদ্ধে এবার ভেস্তে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন? না-ফেরার দেশে ফরাসি অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস রিয়াল মাদ্রিদের জয়, এমবাপ্পে-ভিনিসিয়ুসে টিকে রইল লড়াইয়ে
Logo
logo

হরমুজ খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের, জবাবে কী করবে ইরান?


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম

হরমুজ খুলতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের, জবাবে কী করবে ইরান?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরো তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সম্ভাব্য পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মার্কিন আলটিমেটামের বিষয়ে ইরান বলছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার মাধ্যমে জবাব দিতে পারে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে যেসব জাহাজ শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, তারা ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করলে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে বলেও জানায় তেহরান।

 

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা ইরানের অন্যতম বড় কৌশলগত হাতিয়ার। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের একটি বড় অংশের জ্বালানি রপ্তানি হয়। ফলে কার্যত এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া মানে যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ চাপ প্রয়োগের মাধ্যম হারানো।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তাহলে তা দেশটির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

 

তবে অতীত অভিজ্ঞতা থেকে তারা বলছে, ইরান সরকার তাদের অর্থনীতি ও জনগণের ওপর বড় ধরনের ক্ষতি ও দুর্ভোগ সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় ধরে তা সহ্য করতে প্রস্তুত। কারণ কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সত্ত্বেও ইরান দীর্ঘ সময় ধরে চাপ সহ্য করে এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেয় ইরান সরকার। যেখানে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি বিক্ষোভসংক্রান্ত মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরও করা হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়ার হুমকিকে ‘ট্রাম্পের ধাপ্পাবাজি বা প্রতারণা’ হিসেবে বিবেচনা করছেন ইরানের নেতারা। একই সঙ্গে তারা আশা করেন যে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি হলে এসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সংযত থাকার আহ্বান জানাবে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, সমাধান খুঁজতে বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বিশেষ করে ওমানের কূটনৈতিক উদ্যোগে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে।

 

চলমান এই যুদ্ধে উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের অর্থনীতি মূলত জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল, পাশাপাশি পর্যটন ও নিরাপত্তার ভাবমূর্তিও গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই সংকটে তাদের অবস্থান ভবিষ্যতের যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।