NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

আল-আকসায় প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা, ফটকেই ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের


খবর   প্রকাশিত:  ২০ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

আল-আকসায় প্রবেশে ইসরায়েলের বাধা, ফটকেই ঈদের নামাজ আদায় ফিলিস্তিনিদের

পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনিদের ঈদের নামাজ আদায়ে বাধা দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। প্রধান ফটকগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় শত শত মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে তারা মসজিদের প্রবেশদ্বার এবং আশেপাশের রাস্তাগুলোতে নামাজ আদায় করেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, এদিন ইসরায়েলি সেনারা মসজিদের ভেতরের চত্বরে মুসল্লিদের প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের দামেস্ক গেট এলাকায় মুসল্লিরা জড়ো হন। কারণ সেখান থেকেই তারা সবচেয়ে কাছে গিয়ে নামাজ পড়তে পেরেছেন।

 

জেরুজালেম গভর্নরেট এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত’ এবং একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো জেরুজালেমকে ইহুদিকরণ করা এবং মসজিদটিকে ফিলিস্তিনি ও ইসলামী পরিচয় থেকে বিচ্ছিন্ন করা।

 

উল্লেখ্য, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত ২১ দিন ধরে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল।

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঈদ

অন্যদিকে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চিত্র আরও করুণ। দীর্ঘ মাসের যুদ্ধ ও ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজায় ফিলিস্তিনিরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। যেসব মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তার সামনেই বা খোলা আকাশের নিচে জায়নামাজ বিছিয়ে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন তারা।

গণহত্যা ও বাস্তুচ্যুতির ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও গাজার মানুষ তাদের দীর্ঘদিনের ঈদ ঐতিহ্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

 

 

 

স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজার প্রায় ১ হাজার ২৪০টি মসজিদের মধ্যে এক হাজার ১০০টির বেশি ধ্বংস হয়ে গেছে।