NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক
Logo
logo

আমিরাতে ‘হামলার ভিডিও’ প্রকাশ করায় বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ১০


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ এএম

আমিরাতে ‘হামলার ভিডিও’ প্রকাশ করায় বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ১০

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার ভিডিও প্রকাশ করায় বাংলাদেশি নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ড. হামাদ সাইফ আল শামসি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্যসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করার অভিযোগে তাদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। খবর আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম ডব্লিউএমের।

তদন্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমাটি জানায়, অভিযুক্তরা এমন ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে বাস্তব ফুটেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করার বিষয় দেখানো হয়েছে।

অন্য কিছু ভিডিওতে মাটিতে পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বা ঘটনাস্থল দেখতে জড়ো হওয়া মানুষের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ভিডিওও ছড়ানো হয়েছে, যাতে আমিরাতের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বা বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে—এমন ধারণা দেওয়া হয়।

 

কিছু ভিডিওতে শিশুদের ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু ফুটেজে দাবি করা হয়েছে যে, দেশের ভেতরে সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে, অথবা বিদেশের ঘটনাকে আরব আমিরাতের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে দেখানো হয়েছে।

এর উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো।

 

অ্যাটর্নি জেনারেলের দাবি, এ ধরনের ভিডিও, তা সত্য হোক বা ভুয়া, প্রকাশ করলে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি শত্রুভাবাপন্ন গণমাধ্যম এসব উপকরণ ব্যবহার করে তথ্য বিকৃত করতে পারে, কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কেও কিছু তথ্য প্রকাশ হয়ে যেতে পারে। এ কারণে তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাদের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এর জন্য অন্তত এক বছরের কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে এক লাখ দিরহাম জরিমানার বিধান রয়েছে। কারণ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়ানো জননিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, মানুষের মধ্যে ভয় ছড়ায় এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত যে কাউকে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম নজরদারিতে রাখবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।