NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ২৪, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

আমিরাতে ‘হামলার ভিডিও’ প্রকাশ করায় বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ১০


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ এএম

আমিরাতে ‘হামলার ভিডিও’ প্রকাশ করায় বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ১০

সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলার ভিডিও প্রকাশ করায় বাংলাদেশি নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ড. হামাদ সাইফ আল শামসি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া তথ্যসংবলিত ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করার অভিযোগে তাদের দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। খবর আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম ডব্লিউএমের।

তদন্ত সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমাটি জানায়, অভিযুক্তরা এমন ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যেখানে বাস্তব ফুটেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলা প্রতিহত করার বিষয় দেখানো হয়েছে।

অন্য কিছু ভিডিওতে মাটিতে পড়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের অংশ বা ঘটনাস্থল দেখতে জড়ো হওয়া মানুষের দৃশ্য দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ভিডিওও ছড়ানো হয়েছে, যাতে আমিরাতের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বা বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে—এমন ধারণা দেওয়া হয়।

 

কিছু ভিডিওতে শিশুদের ব্যবহার করে নিরাপত্তা হুমকির মিথ্যা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু ফুটেজে দাবি করা হয়েছে যে, দেশের ভেতরে সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে, অথবা বিদেশের ঘটনাকে আরব আমিরাতের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে দেখানো হয়েছে।

এর উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো।

 

অ্যাটর্নি জেনারেলের দাবি, এ ধরনের ভিডিও, তা সত্য হোক বা ভুয়া, প্রকাশ করলে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। পাশাপাশি শত্রুভাবাপন্ন গণমাধ্যম এসব উপকরণ ব্যবহার করে তথ্য বিকৃত করতে পারে, কর্তৃপক্ষের প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কেও কিছু তথ্য প্রকাশ হয়ে যেতে পারে। এ কারণে তাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে এবং তাদের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। এর জন্য অন্তত এক বছরের কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে এক লাখ দিরহাম জরিমানার বিধান রয়েছে। কারণ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া তথ্য ছড়ানো জননিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে, মানুষের মধ্যে ভয় ছড়ায় এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত যে কাউকে সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও এসব কার্যক্রম নজরদারিতে রাখবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।