NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬ | ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

নিউইয়র্ক টাইমস্ স্কয়ারে সম্প্রীতির ১৪৩৩ বাংলা বর্ষবরণ ১১ এপ্রিল


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ এএম

নিউইয়র্ক টাইমস্ স্কয়ারে সম্প্রীতির ১৪৩৩ বাংলা বর্ষবরণ ১১ এপ্রিল

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে সম্প্রীতির ১৪৩৩ বাংলা বর্ষবরণ আগামী ১১ এপ্রিল উদযাপিত হবে টাইমস স্কয়ারে। এর পরদিন ১২ এপ্রিল রোববার জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বৈশাখী মেলা। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বাঙালিদের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবের ঘোষণা দেওয়া হয় ৭ মার্চ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এক অনুষ্ঠানে।

আয়োজক সংগঠন এনআরবি ওয়ার্ল্ডওয়াইড-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশ্বজিত সাহা জানান, গত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও টাইমস স্কয়ারে নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে। এর পরদিন ডাইভারসিটি প্লাজায় দিনব্যাপী বর্ষবরণ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কবি হোসাইন কবির বাঙালির অসাম্প্রদায়িক এই উৎসবের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। এছাড়া বক্তব্য দেন গণসংগীত পরিচালক মহিতোষ তালুকদার তাপস, নৃত্যপরিচালক চন্দ্রা ব্যানার্জী এবং ডাউনটাউন ম্যানহাটন বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম বাদল।

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ইতোমধ্যে সাংস্কৃতিক মহড়া শুরু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত প্রথম মহড়ায় নিউইয়র্কের বিভিন্ন বরো থেকে সংগীতপ্রেমী শিল্পীরা অংশ নেন। গণসংগীত শিল্পী মহিতোষ তালুকদার তাপসের পরিচালনায় মহড়ায় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এতে তবলায় সুশীল সিনহা এবং মন্দিরায় শশধর হাওলাদার ও শহিদউদ্দীন সঙ্গত করেন।

বিশ্বজিত সাহা জানান, মূল অনুষ্ঠানের আগে আরও কয়েকটি মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, টাইমস স্কয়ারে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মাধ্যমে বাংলা সংস্কৃতি বিশ্বমঞ্চে নতুনভাবে পরিচিতি পাচ্ছে। এই উৎসবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী মানুষের পাশাপাশি ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড ও লাওসসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরাও অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।

আয়োজকদের মতে, টাইমস স্কয়ারে বাংলা নববর্ষ উদযাপন প্রবাসী বাঙালিদের ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠবে এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলা সংস্কৃতির মর্যাদা আরও উজ্জ্বল করবে।