NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন
Logo
logo

মারা গেলেন হামলায় আহত খামেনির স্ত্রীও


খবর   প্রকাশিত:  ০২ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম

মারা গেলেন হামলায় আহত খামেনির স্ত্রীও

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী মারা গেছেন। একই বিমান হামলায় আহত হওয়ার পর চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

আলজাজিরা জানিয়েছে, তেহরানে নিজ বাসভবনে নিহত খামেনির দুই দিন পর তার স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ মারা যান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম রবিবার জানায়, ওই হামলায় খামেনির কন্যা, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাতাও নিহত হয়েছেন।

 

বাঘেরজাদেহ ১৯৬৫ সালে খামেনিকে বিয়ে করেন এবং তাদের দাম্পত্য জীবনে চার ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তানের জন্ম হয়।

ইরানে খামেনির কঠোর শাসনের কারণে সৃষ্ট দশকের পর দশক অস্থিরতার সময় ৭৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন বলে ধারণা করা বাঘেরজাদেহ নীরবে তাকে সমর্থন করেছেন বলে বলা হয়।

তিনি কোনো প্রকাশ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেননি বা রাষ্ট্রের নেতৃত্বে কোনো আনুষ্ঠানিক ভূমিকা পালন করেননি; বরং তিনি ক্যামেরা ও জনজীবন থেকে দূরে ছিলেন।

২০১১ সালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের আগে ইরানের শাসক শাহর বিরুদ্ধে খামেনির লড়াইয়ে তার ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমার সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল আমাদের ঘরে শান্ত পরিবেশ বজায় রাখা, যাতে তিনি শান্তিতে তার কাজ করতে পারেন।

 

তিনি বলেন, ‘আমি কখনো কখনো তাকে আমাদের সমস্যার কথা না জানিয়ে কারাগারে দেখতে যেতাম। আমাদের বিষয়ে তার প্রশ্নের উত্তরে আমি শুধু তাকে ভালো খবর দিতাম। অবশ্যই আমি লিফলেট বিতরণ, বার্তা বহন এবং নথি লুকানোর কাজেও সক্রিয় ছিলাম, কিন্তু আমি মনে করি [এসব কাজ] উল্লেখ করার মতো নয়।’

তার স্বামী গৃহকাজে তাকে সহায়তা করতেন কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে বাঘেরজাদেহ বলেন, ‘তার এখন [সহায়তা করার] সময় নেই এবং আমি তার কাছে তা প্রত্যাশাও করি না।

 

তিনি আরো বলেন, ‘তার একটি প্রশংসনীয় গুণ, যা অন্যদের জন্য উদাহরণ হতে পারে, হলো— তিনি প্রায়ই কাজ থেকে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেও কর্মসংক্রান্ত সমস্যাগুলো ঘরে না আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন।’